কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
সদ্য বিদেশফেরত বাবু আলম (৩৫) নামে এক যুবক অপহরণের শিকার হয়েছেন বলে তারা বাবা কেশবপুর থানায় অভিযোগ করেছেন। তবে, পুলিশ তাকে এখনও উদ্ধার করতে পারেনি।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নয় বছর আগে কেশবপুর উপজেলার রাজনগর বাকাবর্শি গ্রামের বাবু আলমের সাথে পাশের ব্যাসডাঙ্গা গ্রামের সাদিয়া নাসরিন রুপার (৩০) বিয়ে হয়।
সংসারে সচ্ছলতার জন্যে বাবু আলম সিঙ্গাপুরে পাড়ি জমান। এই সময়ে তার স্ত্রী রুপা একই গ্রামের লাভলু মোল্যার ছেলে খালিদ হাসানের (৩৫) সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন।
সম্প্রতি বাবু আলম দেশে ফিরেছেন। এরপর রুপা কারণে-অকারণে তার সাথে খারাপ আচরণ শুরু করেন। সংসারে টানাপড়েন শুরু হয়। খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারেন, তার স্ত্রী প্রতিবেশী খালিদ হাসানের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছেন। এই নিয়ে ঝগড়া-বিবাদের একপর্যায়ে গত ৭ জুন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রুপা আত্মহত্যা করতে ৮/১০টি গ্যাস ট্যাবলেট খান। খবর পেয়ে বাবু আলমের মামা ও মামি তাকে কেশবপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করেন। এখবর পেয়ে খালিদসহ তার লোকজন বাবু আলমকে তুলে নিতে হাসপাতাল গেটে ওত পেতে থাকে। এরই মধ্যে রুপার অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, বাবু আলম বাড়ি থেকে হাসপাতাল যাওয়ার উদ্দেশে বের হলে একটি মাইক্রোবাসে করে তাকে অপহরণ করা হয়।
এ ঘটনায় তার বাবা সেদিনই খালিদসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ করেন।
বাবা হজরত আলী বলেন, ‘ছেলে আট বছর সিঙ্গাপুরে প্রবাস জীবন কাটিয়ে সম্প্রতি বাড়ি ফিরেছে। পুত্রবধূর প্রেমিক খালিদসহ তার লোকজন আমার ছেলেকে তুলে নিয়ে গেছে। এতে জড়িত রয়েছে পুত্রবধূ রুপা।’
কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রোকসানা খাতুন বলেন, ‘বাবু আলম অপহরণের ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’