সুবর্ণভূমি ডেস্ক
সংগৃহীত-
ছবি:
কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া জানিয়েছেন, ইবতেদায়ি শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য নিরসনে দু-এক মাসের মধ্যে সমাধান হতে পারে।
তিনি বলেন, পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রণয়নের জন্য একটি কমিটি কাজ করছে। ওই নীতিমালায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে ইবতেদায়ি শিক্ষকদের বেতন কাঠামো সামঞ্জস্যপূর্ণ করার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। তবে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা দেওয়া হয়নি।
সচিব বলেন, ‘কমিটি কাজ করছে। আশা করছি, দু-এক মাসের মধ্যেই এ বিষয়ে সমাধান হবে।’
শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষকদের অবহেলা ও বঞ্চিত রেখে শিক্ষার মান নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
শিক্ষাবিদ মোহাম্মদ মজিবুর রহমান বলেন, সংযুক্ত ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোর শিক্ষকদের আলাদা করে রাখার কোনো যৌক্তিকতা নেই। এটি এক ধরনের বৈষম্য। তিনি বলেন, দেশে বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক শিক্ষা নিশ্চিত করার কথা বলা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোও ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছে। তাই এসব প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের শিক্ষা ব্যবস্থার মূলধারা থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা উচিত নয়।
দেশে এমপিওভুক্ত মাদ্রাসাগুলোতে প্রায় ২০ হাজার ইবতেদায়ি শিক্ষক রয়েছেন। ১৩তম গ্রেডে তাদের মূল বেতন ১১ হাজার টাকা থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে ১৬তম গ্রেডে তারা ৯ হাজার ৩০০ টাকা বেতন পাচ্ছেন।
একদিকে শিক্ষাগত যোগ্যতা একই, অন্যদিকে শিক্ষাদানের দায়িত্বও প্রায় একই। এরপরও প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকদের বেতন কাঠামোয় বড় ধরনের বৈষম্য রয়েছে। শিক্ষাবিদদের মতে, এই বৈষম্য শিক্ষায় সমতা নিশ্চিত করার পথে বড় বাধা।
সরকারের গঠিত কমিটি এই বৈষম্য কত দ্রুত দূর করতে পারে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।