খুলনা প্রতিনিধি
পবিত্র ঈদুল আজহায় কোরবানির পশু জবাইয়ের জন্য মহানগরীতে ১৪০টি স্থান নির্ধারণ করেছে খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) কর্তৃপক্ষ। নগরবাসীকে এই জায়গাগুলো ব্যবহারের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, কেসিসির ৩১টি ওয়ার্ডের অধীনে নির্ধারিত ১৪০টি স্থানে কোরবানির পশু জবাই করার প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। গত সপ্তাহেই স্থানগুলোর তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। রোববার (২৪ মে) কেসিসি কর্মকর্তারা এই তথ্য জানিয়েছেন।
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান বলেন, কোরবানির পশুর আবর্জনা অপসারণের কাজে কেসিসির অন্তত ৬২টি যানবাহন নিয়োজিত থাকবে। ঈদের দিন পশু জবাই করা হবে। প্রয়োজনে শহরের রাস্তাঘাট সম্পূর্ণ পরিষ্কার করার জন্য একই দিনে রাত ১০টা পর্যন্ত যানবাহন নিয়োজিত থাকবে। পশুর আবর্জনা অপসারণের জন্য কেসিসি’র অন্তত ১৬টি ইউনিটে টিম মোতায়েন করা হবে এবং প্রতিটি ইউনিট একটি করে ওয়ার্ডের জন্য কাজ করবে।
তিনি আরও বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য কেসিসি প্রায় ৪,৫০০ কেজি ব্লিচিং পাউডার এবং প্রায় ৪০০ লিটার স্যাভলন সরবরাহ করবে। ঈদুল আজহার তিন দিন আগে থেকে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচার অভিযান চালানো হবে, যাতে মানুষ সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত স্থানে তাদের কোরবানির পশু জবাই করতে উৎসাহিত হয়। নির্ধারিত জবাইখানাগুলোতে কসাই, পরিচ্ছন্নতাকর্মী এবং কোরবানির পশু জবাই করানোর জন্য একজন ইমাম থাকবেন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রত্যেকেই যেন ১৪০টি নির্ধারিত স্থানে পশু জবাই করে।
শহরে পরিবেশবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সহযোগিতা করেন। ঈদুল আজহা পরবর্তী দুই দিনের জন্য পশুর আবর্জনা পরিষ্কার করতে কেসিসির কর্মী নিয়োজিত থাকবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
কেসিসি কর্মকর্তা ডা. পেরু গোপাল বলেন, জবাইয়ের স্থানগুলোতে জবাই ও পরিষ্কার করার সরঞ্জাম রাখা হবে এবং ঈদের আগের রাত পর্যন্ত সচেতনতামূলক প্রচারণা চলবে। এছাড়াও পরিচ্ছন্নতার উদ্দেশ্যে কেসিসির প্রতিটি ওয়ার্ডের সচিবকে ৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে।
আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য নগরবাসীর মধ্যে মোট ১০ হাজার পরিবেশবান্ধব ব্যাগ বিতরণ করা হবে।