স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে যুবদল, ছাত্রদলসহ কয়েকটি সংগঠন।
দেশবিরোধী চক্রান্ত ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে জেলা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের উদ্যোগে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার বিকেলে যশোরের হাজার হাজার নেতাকর্মীর সরব উপস্থিতিতে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়।
কর্মসূচির শুরুতে শহরের চিত্রা মোড়ে এক পথসভা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এম তমাল আহমেদের সভাপতিত্বে এবং জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাহ নেওয়াজ ইমরানের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান বক্তব্য রাখেন তিন সংগঠনের শীর্ষ নেতারা।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের মানুষ কাঙ্ক্ষিত জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে বর্তমান সরকারকে পাঁচ বছর দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। কিন্তু জনগণের অর্থ লুটপাট করে ভারতে পালিয়ে গিয়ে সেখান থেকে বস্তির টোকাইদের দিয়ে দু-চারটি ককটেল ফুটিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন জনগণের সরকারের পতন ঘটানো যাবে না। রাজপথে থেকে আমরা যেকোনো দেশবিরোধী চক্রান্ত মোকাবিলা করতে প্রস্তুত।
বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, খুনি হাসিনা পালিয়ে গেলেও তাদের সহযোগীরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছে। গত ১৭ বছর যারা যশোরে সন্ত্রাসের রামরাজত্ব কায়েম করেছিল, সেই আওয়ামী লীগের চিহ্নিত গডফাদারদের লালিত সন্ত্রাসীরা এখনো যশোরে আত্মগোপনে থেকে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। অবিলম্বে এদের গ্রেপ্তার করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক কবির হোসেন বাবু, নাজমুল হোসেন বাবুল, আমিনুর রহমান মধু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোস্তফা আমির ফয়সাল, সদস্য সচিব রাজিদুর রহমান সাগর এবং জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান বাপ্পি প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে তিন সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের নেতৃত্বে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে নেতাকর্মীদের সরকারবিরোধী এবং চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে দেওয়া স্লোগানে শহরের রাজপথ মুখরিত হয়ে ওঠে। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ দড়াটানা ও বকুলতলা মোড় প্রদক্ষিণ করে বিমান অফিস মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।