স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
যশোর জেনারেল হাসপাতালের সামনের যশোর ডায়াগনস্টিক সেন্টার দখল, অংশীদারদের সম্মানিভাতা ও লভ্যাংশের অর্থ আত্মসাৎ এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। বুধবার ডায়গনস্টিক সেন্টারের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সরোয়ার হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল অভিযোগটি আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারির আদেশ দিয়েছেন।
আসামিরা হলেন, নতুন উপশহর ‘এ’ ব্লকের ডাক্তার অহিদুজ্জামান, শেখহাটি বাবলাতলার মাসুদ পারভেজ এবং বাঘারপাড়া উপজেলার হলদা গ্রামের ফারুক হোসেন।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, সরোয়ার হোসেন যশোর ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং আট অংশীদারের একজন। ২০১৫ সালে অংশীদারিত্বের দলিল সম্পাদনের পর জেনারেল হাসপাতাল গেটসংলগ্ন স্থানে ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সরোয়ার হোসেন ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে মাসিক ১৫ হাজার টাকা সম্মানীভাতা পাওয়ার কথা ছিল। ২০২৫ সালের পহেলা জানুয়ারি থেকে আসামিরা পরস্পরের যোগসাজসে জোরপূর্বক ডায়াগনস্টিক সেন্টার দখল এবং তাকে বের করে দেন। এরপর থেকে কোনো মাসিক সভা, হিসাব-নিকাশ বা লভ্যাংশ বিতরণ করা হয়নি। এর মধ্যে আসামিরা তাকে ১৯ মাসের সম্মানীভাতা বাবদ দুই লাখ ৮৫ হাজার টাকা, চারটি ঈদ বোনাস বাবদ ৩০ হাজার টাকা এবং অংশীদার ও সাধারণ সদস্যদের আনুমানিক ২১ লাখ টাকার লভ্যাংশ না দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন।
গত ২৫ জুলাই বিকেলে পাওনা টাকা চাইতে গেলে আসামিরা মামলার বাদী ও অন্য অংশীদারদের প্রাণনাশের হুমকি দেন। বিষয়টি মীমাংসায় ব্যর্থ হয়ে তিনি আদালতে মামলা করেছেন।