কালিয়া (নড়াইল) প্রতিনিধি
কালিয়া : অভিযুক্ত মুফতি শরীফ শহিদুল্লাহ
ছবি:
নড়াইলের কালিয়ায় দশ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে কালিয়া কওমি মাদরাসা ও মহিলা মাদরাসার মুহতামিম মুফতি শরীফ শহিদুল্লাহর (৪৫) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নানা বাদী হয়ে গত বুধবার কালিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়, ওই শিশু কওমি মহিলা মাদরাসার দ্বিতীয় জামাতের আবাসিক শিক্ষার্থী। গত ২০ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অভিযুক্ত মুহতামিম লোক পাঠিয়ে তাকে পার্শ্ববর্তী মহিলা মাদরাসা থেকে কওমি মাদরাসায় ডেকে নেন। সেখানে তার সঙ্গে আরেকটি মেয়ে ছিল। ওই মেয়েকে পানি কিনতে পাঠানো হয়। এ সময় অভিযুক্ত মুহতামিম শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্পর্শ করেন এবং ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, এ সময় দুই ব্যক্তি কক্ষে ঢুকে পড়লে অভিযুক্ত মুহতামিম কাউকে ঘটনাটি জানালে শিশুটির প্রাণনাশের হুমকি দেন। পরে বাড়িতে ফিরে সে তার নানাকে বিষয়টি জানালে থানায় অভিযোগ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এরআগেও একাধিকবার এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছেন মুফতি শহিদুল্লাহ। কিন্তু প্রভাবশালী মহলকে ‘ম্যানেজ’ করে শাস্তির বাইরে থেকে যান তিনি।
সবশেষ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জানতে চাইলে অভিযুক্ত মুফতি শরীফ শহিদুল্লাহ বলেন, ‘এটা সম্পূর্ণ যড়যন্ত্র। অভিযোগকারী আমাদের সাথে বসতে সম্মতি প্রকাশ করেছেন।’
অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করে কালিয়া থানার ওসি মো. ইদ্রীস আলী বলেন, সঠিক তদন্ত করে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।