স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
যশোর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্রী জেসমিন আক্তার পিংকি হত্যা মামলায় প্রেমিক আহসান কবির অঙ্কুরকে অভিযুক্ত করে আদালতে পুনঃ চার্জশিট দিয়েছে যশোর সিআইডি পুলিশ। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ না পাওয়ায় এ মামলার অপর তিন আসামি অঙ্কুরের পিতা আকবর আলী, মা হোসনেয়ারা ও ভাই রুমেলের অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে।
অভিযুক্ত অঙ্কুর শার্শা উপজেলার দক্ষিণ বুরুজ বাগান গ্রামের আকবর আলীর ছেলে ও যশোর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র।
পিংকি হত্যা মামলাটি প্রথমে থানা পুলিশ তদন্ত করে নিহত পিংকির প্রেমিক আহসান কবির অঙ্কুরকে অভিযুক্ত ও অপর তিন আসামির অব্যাহতি চেয়ে আদালতে চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। কিন্তু পিংকির পরিবারের লোকজন মানতে রাজি না হওয়ায় তারা আদালতের পুনঃ তদন্তের আবেদন করেন। আদালত সিআইডি পুলিশকে পুনঃ তদন্তের জন্য নির্দেশ দেয়। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার করে নিহত পিংকির ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার এবং অঙ্কুরকে আটক করা হয়। পরে তার মা-ভাইকেও আটক করা হয়। আদালতে দেওয়া জবানবন্দি ও সাক্ষীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে হত্যার সাথে জড়িত থাকায় আহসান কবির অঙ্কুরকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক সুব্রত কুমার পাল।
উল্লেখ্য. ২০২৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি জেসমিন আক্তার পিংকি যশোর থেকে বাড়ি যাবে বলে ফোনে মাকে জানিয়েছিল। ওই দিন পিংকি বাড়ি ফেরেনি এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। খোঁজাখুঁজি করে পিংকিকে উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে তার পিতা জাকির হোসেন ৫ ফেব্রুয়ারি যশোর কোতোয়ালি থানায় একটি জিডি করেন। ১১ ফেব্রুয়ারি শার্শার বুরুজবাগান গ্রামের আকবর আলীর বাড়ির পেছনের একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে পিংকির লাশ উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ সংবাদ পেয়ে নিখোঁজ পিংকির স্বজনেরা আকবর আলীর বাড়ি এসে লাশ শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় নিহত পিংকির ভাই আনিছুর রহমান বাদী হয়ে ৪ জনকে আসামি করে শার্শা থানায় মামলা করেন।