যশোর, বাংলাদেশ || বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

যৌন হয়রানির অভিযোগ

খুবির অধ্যাপক রেজাউল ইসলাম চাকরিচ্যুত

রুবেল আনসারের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি

শাম্মী আক্তার মিথি

, খুবি

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই,২০২৬, ১০:৫৪ পিএম
খুবির অধ্যাপক রেজাউল ইসলাম চাকরিচ্যুত

যৌন হয়রানির অভিযোগে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক রেজাউল ইসলামকে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

একই সঙ্গে বাংলা ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. রুবেল আনসারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি নিরোধকেন্দ্রের তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশের আলোকে পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩৭তম সিন্ডিকেট সভায় এ দুটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এস এম মাহবুবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, যৌন হয়রানি নিরোধকেন্দ্রের ২৩ ও ২৪ নম্বর মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশ পর্যালোচনা করে সিন্ডিকেট রুবেল আনসারের অভিযোগের বিষয়ে পৃথক একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এটি যৌন হয়রানি নিরোধকেন্দ্রের তদন্ত কমিটি নয়; বরং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গঠিত একটি স্বাধীন উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি।

রেজিস্ট্রার জানান, কমিটিতে দুইজন সিন্ডিকেট সদস্য, একজন দক্ষ আইনজীবী, বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের লিগ্যাল সেলের পরিচালক সদস্য হিসেবে থাকবেন। কমিটিকে তদন্ত শেষ করে ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, যৌন হয়রানির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অধ্যাপক রেজাউল ইসলামকে চাকরিচ্যুত করার সিদ্ধান্তও সিন্ডিকেটে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এবং বিজয় '২৪ হলের নারী ওয়াশরুমে গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগে এক ক্যান্টিনকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে কয়েক দিন ধরে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা।

দাবি আদায়ে তারা অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের পাশাপাশি প্রশাসনিক কার্যক্রম বর্জনের কর্মসূচি পালন করেন। পরে প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে প্রত্যাশিত অগ্রগতি না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনগুলোতে তালা ঝুলিয়ে দেন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সর্বশেষ এ সিদ্ধান্তকে চলমান আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ এবং শিক্ষার্থীদের দাবিগুলোর পূর্ণ বাস্তবায়নের ওপর আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি নির্ভর করবে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)