স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
যশোরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পৃথক অভিযানে চার হাজার পাঁচ পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদিকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা চার হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, দুইশ পিস যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট, কফ সিরাপসহ বিভিন্ন মালামালসহ একজনকে আটকের দাবি করেছে।
মাদক দ্রব্যনিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের হাতে আটকের ঘটনায় দুজনের বিরুদ্ধে শার্শা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। অপর একজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয় যশোর সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে শার্শা থানার পশ্চিম কোটা গ্রামের ওসমান সরদারের বাড়ির সামনে বেলতলা-সোনাবাড়ীয়া সড়কে অভিযান চালানো হয়। এ সময় চারহাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ হালিমা খাতুন ওরফে রিনা (৪৭) এবং সাকিব হোসেন রানা (২৫) নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হালিমা খাতুন শার্শার বুরুজবাগান দক্ষিণ এলাকার সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী। সাকিব হোসেন রানা একই এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। অভিযানে ইয়াবার পাশাপাশি একটি মোটরসাইকেল ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক রাফিজা খাতুন বাদী হয়ে শার্শা থানায় গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন।
একইদিন বিকেল ৪টার দিকে যশোর সদর উপজেলার এনায়েতপুর এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে পাঁচ পিস ইয়াবাসহ রহমত উল্লাহ আল-আমিনকে (২১) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি যশোরের মনোহরপুর এলাকার আব্দুর রহমান বিশ্বাসের ছেলে। পরে উপপরিদর্শক মোছা. রাফিজা খাতুনের প্রসিকিউশনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ উদ্দীন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত রহমত উল্লাহ আল-আমিনকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা অর্থদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
অন্যদিকে বিজিবির এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও অন্যান্য মালামাল উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় মিলন (৩৪) নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। আটক মিলন চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামের সাজ্জাদ হোসেনের ছেলে।