স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে খুলনা বিভাগে ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডিপ্লোমা পর্যায়ে গত তিনবছর ধরে কোনো ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি হচ্ছে না। ফলে, বোর্ড কর্তৃপক্ষ সেইসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত করেছে। একইসাথে পাঠদানে অনুমোদন কেন বাতিল বা প্রত্যাহার করা হবে না- সেই মর্মে ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের পরিদর্শক প্রকৌশলী বিএম আমিনুল ইসলাম বলেছেন, কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের আওতাধীন ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ও ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার শিক্ষাক্রম পরিচালনাকারী দেশের ৮৬টি প্রতিষ্ঠানে গত তিন বছর শিক্ষার্থী ভর্তি হয়নি।
প্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদনের শর্তাবলী অনুযায়ী তিন বছর শিক্ষার্থী ভর্তি না করলে পাঠদান অনুমোদন বাতিল করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
খুলনা বিভাগে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা পলিটেকনিক অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট, মেহেরপুরের গাংনী বিজ্ঞান ও টেকনোলজি, মাগুরার প্রেসিডেন্সি প্রাইভেট ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, নড়াইল বিজ্ঞান অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট ও লোহাগড়া বিজ্ঞান অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট, যশোরের মণিরামপুর মডেল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, অক্সফোর্ড প্রাইভেট ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট, আহছানিয়া মিশন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, সাতক্ষীরার বুশরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, কালিগঞ্জ মডেল প্রাইভেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, খুলনার সুন্দরবন ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, স্কয়ার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, পাবলিক বিজ্ঞান ও টেকনোলজি ইনস্টিটিউট, ডিজিটাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, ইউনিক পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, নর্দার্ন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
খুলনা বিভাগের ১৬টিসহ দেশের ৮৬ প্রতিষ্ঠানে তিন বছর ধরে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা না করায় আগামী ২০২৭-২০২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে ওইসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। একইসাথে ওইসব প্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদন কেন বাতিল হবে না, তা আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মণিরামপুর মডেল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট (এমএমপিআই) পরিচালক হাদিউজ্জামান বলেন, করোনার পর থেকে ওইসব ট্রেডে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি হচ্ছে না। ফলে, ভর্তি স্থগিত বা প্রত্যাহার করে নিলে কিছু করার থাকবে না। তবে, কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের ২১ তারিখে স্বাক্ষরিত কারণ দর্শানো নোটিস পাননি বলে দাবি করেন তিনি।