স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য দ্বিতীয় ধাপে অনলাইনে আবেদন শুরু হবে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর; যা চলবে ২৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে ভর্তি আবেদনের সুযোগ পাচ্ছেন তিন ক্যাটাগরির শিক্ষার্থীরা।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তির লক্ষ্যে পুনরায় দ্বিতীয় ধাপে আবেদন গ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। আবেদন পদ্ধতি শিক্ষা বোর্ডসমূহের নির্ধারিত ভর্তি ওয়েবসাইটের (https://xiclassadmission.gov.bd) প্রদত্ত পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা অনুসরণ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কলেজে বিদ্যমান আসন সংখ্যা দেখে সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ দশটি কলেজে আবেদন করতে হবে।
এতে বলা হয়, যে সকল শিক্ষার্থী প্রথমধাপে আবেদন করেও কলেজ সিলেকশন পায়নি, দ্বিতীয় ধাপে আবেদনের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র তাদের অনলাইন আবেদন ফি ২২০ টাকা জমা দিতে হবে না। এ ধরনের শিক্ষার্থীদের ভর্তি ওয়েবসাইটে লগইন করে কলেজ সিলেকশন/এডিট সম্পন্ন করতে হবে।
এতে আরও বলা হয়, দ্বিতীয় ধাপে আবেদনের সময় কোটা নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোটার যোগ্যতা বুঝে আবেদন করা এবং ফল প্রকাশের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন ফি জমা দেওয়ার জন্য অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের পুনরায় অনুরোধ করা যাচ্ছে।
দ্বিতীয় ধাপে যে সব শিক্ষার্থী আবেদন করতে পারবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে: ১. যে সকল শিক্ষার্থী পূর্বে আবেদন করেনি বা আবেদন করেও কলেজ সিলেকশন পায়নি; ২. যে সকল শিক্ষার্থী চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছে কিন্তু কোনো কারণে নিশ্চায়ন করতে পারেনি কিংবা কলেজে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি হতে পারেনি; ৩.যে সকল শিক্ষার্থী চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছে কিন্তু ভুল কোটা নির্ধারণ করায় কলেজে ভর্তি হতে পারেনি।
দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ হবে ১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাত ৮টায়। ৩ অক্টোবর শনিবার রাত ৮টা পর্যন্ত নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশের পর থেকে শিক্ষার্থীদের নির্বাচন নিশ্চায়ন (শিক্ষার্থী নিশ্চায়ন না করলে নির্বাচন এবং আবেদন বাতিল হবে), ৪ অক্টোবর রোববার রাত ৮টায় পছন্দক্রম অনুযায়ী দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ এবং ৫ অক্টোবর থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত ভর্তি করা হবে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেছেন, শিক্ষাবোর্ডের ভর্তির প্রদত্ত পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা অনুসরণ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কলেজে বিদ্যমান আসন সংখ্যা দেখে সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ দশটি কলেজে আবেদন করতে হবে।