বাগেরহাট প্রতিনিধি
শরণখোলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা দুইদিনব্যাপী সুন্দরবন ও প্রাণ-প্রকৃতি পর্যবেক্ষণে গিয়ে বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রের প্লাস্টিকের বর্জ্য ও পলিথিন অপসারণ করেছেন।
তারা দেখতে পান, বনের তীরে, চরের কাদায়, গাছের শেকড়ে আটকে আছে প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিন, খাবারের প্যাকেটসহ নানা ধরনের অপচনশীল বর্জ্য। জোয়ারের পানির সঙ্গে ভেসে এসে সুন্দরবনের বুকেই আটকে পড়ছে এসব বর্জ্য। তিন মাস মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকার পর বন যখন নিজস্ব ছন্দে প্রাণ ফিরে পাওয়ার অপেক্ষায়, তখনও প্লাস্টিক-পলিথিনের এই দূষণ সুন্দরবনের জন্য অশনিসংকেত।
শরণখোলার প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ মোহাম্মদ আলী ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে সাংবাদিকদের একটি দল শুক্রবার সকালে শরণখোলা রেঞ্জ অফিস থেকে আলী বান্দা ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্র হয়ে কটকা পর্যটন কেন্দ্রে পৌঁছায়। বিকেলে সাংবাদিকরা চারটি দলে ভাগ হয়ে এ প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণের কার্যক্রম শুরু করেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) শরণখোলা রেঞ্জের কোচিখালী ও ডিমের চরে সাংবাদিকরা একইভাবে প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণের কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
প্রবীণ সাংবাদিক শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘সুন্দরবন পর্যবেক্ষণে এসে সুন্দরবন সুরক্ষায় প্লাস্টিক বর্জ্য ও পলিথিন অপসরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। সাংবাদিকরা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশ তৈরি করতে পেরে আমাদের অনেক ভালো লেগেছে।’
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণের এই মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।’