যশোর, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

ইরানি হামলায় কুয়েতে মার্কিন সামরিক রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস

সুবর্ণভূমি ডেস্ক

প্রকাশ : রবিবার, ১৯ জুলাই,২০২৬, ১২:০১ এ এম
ইরানি হামলায় কুয়েতে মার্কিন সামরিক রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম প্রেস টিভি জানিয়েছে, কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে একটি সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং ইরানের সেনাবাহিনী।

এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল কুয়েতের আলী আল সালেম বিমানঘাঁটি। তেহরানের দাবি, সেখানে মোতায়েন করা মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি সি-র‍্যাম (কাউন্টার-রকেট, আর্টিলারি অ্যান্ড মর্টার) আর্লি ওয়ার্নিং রাডার ব্যবস্থা সফলভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।

জানা যায়, রাডার ব্যবস্থাটি ধ্বংস করার পাশাপাশি ড্রোনের সাহায্যে বিমানঘাঁটির প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ড্রোন হ্যাঙ্গার এবং জ্বালানি সংরক্ষণাগারগুলোতেও আঘাত হানা হয়। একই সঙ্গে কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজান, জর্ডান এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক সহায়তা কেন্দ্রগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

তেহরান এই সামরিক পদক্ষেপকে তাদের আত্মরক্ষার অধিকার হিসেবে অভিহিত করেছে। তারা দাবি করেছে, ইরানের দক্ষিণাঞ্চল এবং বন্দর আব্বাসের কাছে তাদের কমান্ড সেন্টারগুলোতে মার্কিন বাহিনীর চালানো তীব্র বিমান হামলার জবাবেই এই ‘অপারেশন সায়েকেহ’ বা ‘নসর-২’ পরিচালনা করা হয়েছে।

এই হামলার পর আইআরজিসি কুয়েতসহ পারস্য উপসাগরীয় অন্যান্য দেশগুলোকে একটি কঠোর সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে, যারা বর্তমানে মার্কিন সেনাদের ঘাঁটি গড়তে সহায়তা করছে। তেহরানের অভিযোগ, ওয়াশিংটন ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসী হামলা চালাতে কুয়েতের আকাশসীমা ও ভূখণ্ড ব্যবহার করছে। এই পরিস্থিতিতে তারা মার্কিন সামরিক উপস্থিতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে কুয়েতের সাধারণ জনগণের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছে।

এদিকে এই হামলার ফলে কুয়েতে বেশ ক্ষয়ক্ষতি ও অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। কুয়েত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে দেশের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সামরিক স্থাপনা ছাড়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ পানি শোধন কেন্দ্রে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানায় সেখানে বিশাল অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয় এবং বেশ কয়েকজন শ্রমিক আহত হন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম তাদের দাবির সপক্ষে স্যাটেলাইট চিত্র প্রকাশ করে দাবি করেছে যে, সেখানে মার্কিন ড্রোন হ্যাঙ্গার ও রাডার অবকাঠামো ধ্বংসের প্রমাণ রয়েছে। তবে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) রাডার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ধ্বংস হওয়ার বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।

অবশ্য মার্কিন কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন যে হরমুজ প্রণালির কৌশলগত নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে চলমান এই পাল্টাপাল্টি হামলায় ওই অঞ্চলে দায়িত্বরত বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনাসদস্য আহত হয়েছেন।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)