কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
কালবৈশাখী ঝড় এবং শিলাবৃষ্টিতে যশোরের কেশবপুরে ৯৫ হেক্টর পাটের ক্ষেত সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কৃষকরা ওইসব ক্ষেতে নতুন করে চাষ দিয়ে আবার পাটচাষ করছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় কৃষি অফিস জানায়, চলতি বছর কেশবপুরে পাঁচ হাজার চারশ’ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ করা হয়। এখানে তোষা ও দেশীয় জাতের পাটের আবাদ বেশি হয়েছে। গত শুক্রবার ও বুধবার গত দু‘দিনের কালবৈশাখী ঝড়ে এবং শিলাবৃষ্টিতে ৯৫ হেক্টর পাটের ক্ষেত একেবারে নষ্ট হয়ে গেছে। প্রচণ্ড ঝড়ে উপজেলার দক্ষিণাঞ্চল এলাকার সাগরদাঁড়ী, ত্রিমোহিনী, বিদ্যানন্দকাটি ও মঙ্গলকোট ইউনিয়নের প্রায় ২০টি বিলে চাষ করা পাটের মাথা ছিঁড়ে গেছে এবং শিলা বৃষ্টিতে তা মাটির সাথে মিশে যায়।
কৃষকরা জানান, এপ্রিল মাসের প্রথম ও দ্বিতীয় সপ্তাহের দিকে ক্ষেত প্রস্তুত করে ওই জমিতে বীজ ছড়ানো হয়। বর্তমানে ক্ষেত বিশেষে পাটের চারা ৭/১০ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়েছে। সাগরদাঁড়ী ও চিংড়া গ্রামের কৃষক আব্দুর রাজ্জাক এবং মতিয়ার রহমান জানান, গত শুক্রবার এবং বুধবার দিনে ও রাতে কালবৈশাখী ঝড় এবং শিলা বৃষ্টিতে ধানের ক্ষেত, পাট, সবজিসহ আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ওইসময় পাটের চারা ৫/৬ ইঞ্চি লম্বা হওয়ায় তা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া অধিকাংশ পাটক্ষেত আবার চাষ দিয়ে ওইসব জমিতে আবার পাটের আবাদ করা হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল্যাহ আল মামুন বলেন, কালবৈশাখী ঝড় এবং শিলাবৃষ্টিতে কেশবপুরে ৯৫ হেক্টর পাটের ক্ষেত সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে। এছাড়া পাকা বোরো ধানের ক্ষেত ৮৫ হেক্টর, আম ৫৪০ হেক্টর, সবজি দুই এবং মরিচ এক হেক্টর ক্ষতি হয়েছে।