যশোর, বাংলাদেশ || বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

‘যশোরে পুলিশ শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ উচ্ছেদ নয়, আরও নান্দনিক হবে’

স্টাফ রিপোর্টার

, যশোর

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট,২০২৬, ০৬:৩১ পিএম
আপডেট : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট,২০২৬, ০৭:০১ পিএম
‘যশোরে পুলিশ শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ উচ্ছেদ নয়, আরও নান্দনিক হবে’

যশোর কোতোয়ালি থানার অভ্যন্তরে থাকা শহীদ স্মৃতিস্তম্ভটি ধ্বংস করা হচ্ছে না, বরং নতুন ভবন নির্মাণের পর তা যথাযথ মর্যাদায় পুনঃস্থাপন করা হবে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেলে যশোর জেলা পুলিশের প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মিরাজুল ইসলাম।

অন্যদিকে, ব্রিফিংয়ের আগে পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলামের সঙ্গে অন্য একটি বিষয়ে সাক্ষাৎ করেন কয়েকজন সিনিয়র সাংবাদিক। পুলিশ সুপার সেসময় জানান, দেশমাতৃকার জন্য মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া পুলিশ সদস্যদের অবমাননা করার প্রশ্নই ওঠে না। বরং এই স্মৃতিস্তম্ভ আরও আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন করে স্থাপন করা হবে। এ নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির কোনো সুযোগ নেই।

সোমবারের প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার পুরনো ভবন ভেঙে একটি আধুনিক চারতলা ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইউএনডিপির অর্থায়নে দেশব্যাপী ১০৭টি থানা আধুনিকায়নের আওতায় ভবন নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যে শুরু করেছে যশোর গণপূর্ত অধিদপ্তর। থানা অভ্যন্তরে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের অবদান সংক্রান্ত স্মৃতিবিজড়িত শহীদ স্মৃতিস্তম্ভটি রয়েছে। যেহেতু থানাটি ২৬ হাজার স্কয়ার ফিটের এবং ভবনের ফাউন্ডেশন হবে ছয়তলার, তাই বর্তমানে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভটি আগের স্থানে রেখে মডেল থানা ভবন নির্মাণ সম্ভব হচ্ছে না। এই কারণে বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অনুমতিক্রমে স্তম্ভটি আপাতত সরিয়ে রেখে থানার আধুনিক ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। ভবন নির্মাণ শেষ হলে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভটি থানা ভবনের উপযুক্ত স্থানে প্রতিস্থাপন করা হবে।

তিনি বলেন, নাগরিকদের অনেকেই নানা মাধ্যমে পুলিশ সুপারকে স্মৃতিস্তম্ভের বিষয়টি অবগত করেছেন। তাদের হয়তো ধারণা হয়েছে, স্মৃতিস্তম্ভটি রাখা হবে না। কিন্তু বিষয়টি এমন নয় উল্লেখ করে তিনি জানিয়েছেন, শহীদ স্মৃতিস্তম্ভটি ধ্বংস নয় বরং সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

ব্রিফিং শুরুর আগে পুলিশ সুপার জানান, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং শহীদদের বিষয়ে আমাদের সবার আবেগ রয়েছে। সেই আবেগে আঘাত লাগে, বাংলাদেশ পুলিশ এমন কিছু করতে পারে না।’ নাগরিকদের এই ব্যাপারে পুলিশের ওপর ভরসা রাখার অনুরোধ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিরাজুল ইসলাম অন্য এক প্রসঙ্গে বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। গত ১ জুলাই থেকে ১১ আগস্ট পর্যন্ত ২০৪ জন মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন দেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ২০০ মামলায় মোট ২৪৫ জন মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে আটক করা হয়েছে। এ সময়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাদক উদ্ধার হয়েছে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)