খুলনা অফিস
খুলনা-১ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী সাবেক ছাত্রনেতা জিয়াউর রহমান পাপুল বলেন, ‘গত এক যুগে দাকোপ-বটিয়াঘাটা ছিলো অবহেলিত জনপদ। উন্নয়নবঞ্চিত এই এলাকার মানুষ একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর কাছে জিম্মি হয়ে পড়ে। শহরের প্রান্তসীমায় অবস্থিত বটিয়াঘাটার মানুষ নাগরিক সুযোগসুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। অপার সম্ভাবনাময় এ উপজেলায় আমি শিল্প এবং কৃষি বিপ্লব ঘটাতে চাই। বটিয়াঘাটার মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নে আমি নিজেকে সমর্পণ করতে এসেছি।’
শনিবার বিকেলে বটিয়াঘাটার বাজার মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জনসভায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আশুরোগ মুক্তি কামনায় তিনি সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন। এ সময় বিশেষ দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এজাজুর রহমান শামিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি আরও বলেন, ‘নদী ভাঙনরোধে বটিয়াঘাটায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে। উপজেলাবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে আধুনিক হাসপাতাল, আধুনিক সুযোগসুবিধাসম্পন্ন বিনোদন কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে পর্যটন শিল্পের বিকাশ সাধন করা হবে। মডেল ইউনিয়ন হিসাবে সাজানো হবে জলমা ইউনিয়নকে।’
৯০-এর এরশাদ পতন আন্দোলনে ঢাকার রাজপথে সাহসী ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদের মাধ্যমে মৎস্য এবং কৃষি উৎপাদন দ্বিগুণ করা হবে। বটিয়াঘাটা শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের একটি সম্ভাবনাময় উপজেলা। এখানে নতুন নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। ফলে, বদলে যাবে এ জনপদের অর্থনীতি। সকল সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে একটি অসাম্প্রদায়িক ও উন্নত উপজেলা হিসাবে বটিয়াঘাটাকে প্রতিষ্ঠিত করাই আমার মূল লক্ষ্য।’
উপজেলা জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এমএম এ বাশারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য সুলতান মাহমুদ, শাকিল আহমেদ দিলু, জিএম রফিকুল হাসান, মনিরুজ্জামান লেলিন, আসাবুর রহমান পাইলট, চালনা পৌর বিএনপির নেতা আল আমিন সানা, দাকোপ বিএনপির নেতা গাজী জাহাঙ্গীর আলম, ভান্ডারকোট ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সফিকুজ্জামান মৌলঙ্গী প্রমুখ।