স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
যশোরের ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের এজলাস কক্ষ থেকে দুটি মামলার নথি চুরির অভিযোগে মো. আবু সাঈদ মোল্লা (৫৪) নামে এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ট্রাইব্যুনালের সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর আসাদুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করেছেন।
আটক আবু সাঈদ মোল্লা যশোর সদর উপজেলার জলকর গ্রামের আকেম আলী মোল্লার ছেলে।
তবে অভিযুক্ত সাঈদ মোল্লা দাবি করেছেন, নথি দুটি ভুল করে তার ডায়েরির সাথে চলে এসেছিল। তিনি ওই নথি চৌগাছা সিভিল জজ আদালতে রেখে দেন।
সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর আসাদুল ইসলাম জানান, বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর দুইটার দিকে তিনি ও অফিস সহায়ক আব্দুল বারিক ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের এজলাস কক্ষে কাজ করছিলেন। ওই সময় শিক্ষানবিশ আইনজীবী আবু সাঈদ মোল্লুা ট্রাইব্যুনাল কার্যালয়ে ঘোরাফেরা করছিলেন।
কিছুক্ষণ পর অফিস সহায়ক মামুন মিয়া জানান, টেবিলে থাকা দুটি মামলার নথি পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর তারা বিভিন্ন স্থানে খুঁজতে থাকেন। এর মধ্যে বিষয়টি জানাজানি হলে বিকেল তিনটার দিকে চৌগাছা সিভিল জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী শেখ আব্দুর বাছেদ মোবাইলফোনে জানান, হারিয়ে যাওয়া দুটি নথিসহ আবু সাঈদ মোল্লাকে তার অফিসকক্ষে পাকড়াও করা হয়েছে। এরপর ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সেখানে গিয়ে নথিসহ তাকে আটক করে বিচারক সুমাইয়া কাওসারের সামনে হাজির করেন। বিচারক এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা করার নির্দেশ দেন।
পরে কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দেবাশীষ হালদার সেখানে গিয়ে আবু সাঈদ মোল্লাকে হেফাজতে নিয়ে থানায় নিয়ে যান।
যদিও এ বিষয়ে আটক আবু সাঈদ মোল্লা দাবি করেছেন, তিনি নথি দুটি চুরি করেননি। তার অজান্তেই ডায়েরির সঙ্গে নথি দুটি চলে গিয়েছিল। ওই ডায়েরি তিনি চৌগাছা সিভিল জজ আদালতে রাখেন। পরে তিনি দেখতে পান, ডায়েরির নীচে নথি দুটি রয়েছে। এরপর নথি দুটি চৌগাছা সিভিল জজ আদালতে রেখে যান। পরে তাকে ডেকে এনে আটক করা হয়।