পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি
সংসদ সদস্য নির্বাচিত না হয়েও নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও খুলনা জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী।
তার উদ্যোগে খুলনা জেলা পরিষদের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এডিপি ও রাজস্ব তহবিলের আওতায় খুলনা মহানগরসহ জেলার নয়টি উপজেলার মোট ২১৮টি প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে দ্বিতীয় ধাপে তিন কোটি ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে পাইকগাছা পৌরসভার ছয় নম্বর ওয়ার্ডের বাতিখালী পূর্বপাড়া জামে মসজিদের অবকাঠামো উন্নয়নে দুই লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে। বরাদ্দের খবর সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার পর মসজিদ কমিটি, স্থানীয় মুসল্লি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সন্তোষ দেখা দিয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন উপজেলায় অবকাঠামো উন্নয়নে বরাদ্দ প্রদান করায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে বাপ্পীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, খুলনা মহানগরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার মসজিদ, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য সামাজিক প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নের লক্ষ্যে দ্বিতীয় ধাপে এসব বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন প্রয়োজন এমন প্রতিষ্ঠানগুলো উপকৃত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী। নির্বাচনে সামান্য ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হলেও নির্বাচনি প্রচারণাকালে তিনি এলাকার মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
নির্বাচনকালীন সময়ে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, কখনো এই এলাকার মানুষকে ছেড়ে যাব না। সংসদ সদস্য নির্বাচিত না হলেও জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতার মাধ্যমে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের চেষ্টা করছেন বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।
এদিকে, পাইকগাছা পৌরসভার বাতিখালী পূর্বপাড়া জামে মসজিদের উন্নয়নে দুই লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়ায় মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দ কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। মসজিদের পুনঃপ্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও প্রেসক্লাব পাইকগাছার সাধারণ সম্পাদক এম জালাল উদ্দীন, প্রধান উপদেষ্টা বিশিষ্ট পোনা ব্যবসায়ী আলহাজ আব্দুল জলিল ঢালী, উপদেষ্টা মো. নুরু গাজী ও হোসাইন সরদার, সহ-সভাপতি মো. সোলাইমান ফকির, মো. নুরুজ্জামান সরদার ও মো. রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মো. আব্দুল কাদির, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. সাহেদ আলী সরদার, ক্যাশিয়ার মাওলানা আব্দুল মালেকসহ কমিটির সদস্যরা কৃতজ্ঞতা ও সাধুবাদ জানিয়েছেন এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পীর প্রতি।
মসজিদ কমিটির নেতারা বলেন, মসজিদের অবকাঠামো উন্নয়নে এ বরাদ্দ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বরাদ্দ দেওয়ায় জেলা পরিষদ প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পীর প্রতি কৃতজ্ঞ।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, জেলার বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে এ ধরনের বরাদ্দ ও সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।