সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
জিএম নূর ইসলাম শুধু একজন পত্রিকা সম্পাদক ছিলেন না, ছিলেন মানুষের কণ্ঠস্বর। সংবাদপত্রকে তিনি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করতেন। অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে আপসহীন এই মানুষটি ব্যক্তিজীবনে ছিলেন নিরহংকার, নির্লোভ ও সৃজনশীল একজন মানুষ।
সোমবার বিকেলে শহরের ম্যানগ্রোভ সভাঘরে সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্র আয়োজিত জেলার সংবাদপত্র জগতের পথিকৃৎ, নাগরিক নেতা জিএম নূর ইসলামের স্মরণসভায় নাগরিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, স্বেচ্ছাসেবী ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।
দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক ও প্রকাশক সদ্য প্রয়াত জিএম নূর ইসলামকে স্মরণ করতে গিয়ে বক্তারা বলেন, সাংবাদিকতায় তিনি যেমন নতুন ধারার সূচনা করেছিলেন, তেমনি নাগরিক অধিকার ও জেলার উন্নয়ন আন্দোলনেও ছিলেন সামনের কাতারে। সংবাদপত্রের পাতায় মানুষের সুখ-দুঃখের কথা তুলে ধরার পাশাপাশি রাজপথেও ছিলেন সোচ্চার, যা ছিল তার জনস্বার্থ ও মানুষের প্রতি গভীর দায়বদ্ধতা।
স্মরণসভার শুরুতে প্রয়াত এই বরেণ্য ব্যক্তিত্বের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি আব্দুস সামাদের সভাপেত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক আহসানুর রহমান রাজীব।
সভায় অন্যদের মধ্যে জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল কালাম বাবলা, নাগরিক কমিটির আহবায়ক অ্যাড. আজাদ হোসেন বেলাল, সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, দক্ষিণের মশালের সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী, নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান বাবু, সনাক সভাপতি তৈয়ব হাসান বাবু, আইনজীবী মোস্তফা আসাদুজ্জামান দিলু, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সহসভাপতি আবুল কালাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সুজন ও মোজাফ্ফর রহমান, দৃষ্টিপাতের নির্বাহী সম্পাদক আবু তালেব মোল্লা, বার্তা সম্পাদক জিএম আদম সফিউল্লাহ, বৈশাখী টিভির শামীম পারভেজ, একাত্তর টিভির বরুণ ব্যানার্জী, পত্রদূতের বার্তা সম্পাদক এসএম শহীদুল ইসলাম, মানবাধিকার কর্মী লুইস রানা গাইন, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ডা. মহিদার রহমান, পাটকেলঘাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল মোমিন, স্বপ্নসিঁড়ির সভাপতি নাজমুল হক, চ্যানেল নাইনের কৃষ্ণমোহন ব্যানার্জী, বাংলা ট্রিবিউনের আসাদুজ্জামান সরদার, প্রথম আলোর ইমতিয়াজ উদ্দিন, স্টার নিউজের গাজী ফরহাদ, গ্লোবাল টিভির রাহাত রাজা, আলোর পরশের মফস্বল বার্তা সম্পাদক গাজী হাবিব প্রমুখ।
অনুষ্ঠান শেষে প্রয়াতের রুহের মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।