স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক, যশোর-৩ (সদর) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, ‘আগামী নির্বাচনে বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে যশোরের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে স্থানীয় মেডিকেল কলেজে ৫০০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘সুস্থ ও শিক্ষিত মানুষ তৈরি করতে পারলেই জাতির অগ্রগতি সম্ভব। সেকারণে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশের স্বাস্থ্যখাতে মোট জিডিপি ৫ শতাংশ বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। একইসাথে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হবে, যাতে করে ছোটবেলা থেকেই নৈতিক, ধর্মীয়,কারিগরি, সামাজিক শিক্ষার সন্নিবেশ ঘটে।’
শনিবার যশোর শিল্পকলা অ্যাকাডেমি মিলনায়তনে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেশায় সমস্যা ও আগামীর সম্ভাবনা শীর্ষক মতবিনিময়সভায় প্রধানঅতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যের শুরুতে তিনি গুরুতর অসুস্থ বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
যশোরের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকবৃন্দ মতবিনিময়সভার আয়োজন করে।
মতবিনিময়সভায় অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আরও বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হোমিওপ্যাথিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ১৯৭৮ সালে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেন। আমার বাবা তরিকুল ইসলাম জিয়াউর রহমানের আদর্শের কর্মী ছিলেন। সেকারণে তিনি আরএন রোডের হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের উন্নয়নে ভূমিকা রাখেন।’
তিনি বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে দেশের স্বাস্থ্যখাতের করুণদশা দেশের মানুষ উপলব্ধি করেছে। বিশেষ করে করোনাকালে। বিএনপির হাত ধরে দেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন হয়েছে। শুধুমাত্র অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসাব্যবস্থা দিয়ে দেশের চিকিৎসাসেবাকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা সম্ভব না। সেকারণে বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার উন্নয়নে কাজ করবে।’
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার সংকটগুলো চিহ্নিত করে সেখান থেকে উত্তরণে চিকিৎসকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান অমিত।
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং কাজী আজমের পরিচালনায় মতবিনিময়সভায় অন্যদের মধ্যে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম রতন, এমএ হাই সিকদার, হাফিজুর রহমান, কৃষ্ণপদ কর্মকার, আব্দুর রশিদ, শামসুর রহমান, সন্তোষ কুমার ঘোষ, আবুল কাশেম, মহব্বত আলী, চমনআরা ইয়াসমিন প্রমুখ বক্তৃতা করেন।