যশোর, বাংলাদেশ || বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

যবিপ্রবির তাপসী রাবেয়া হলে বাধ্যতামূলক মিল চালুর নোটিস, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

রুহুল আমিন, যবিপ্রবি প্রতিনিধি

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই,২০২৬, ১১:১৭ এ এম
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই,২০২৬, ১২:৫১ পিএম
যবিপ্রবির তাপসী রাবেয়া হলে বাধ্যতামূলক মিল চালুর নোটিস, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) তাপসী রাবেয়া হলের ডাইনিং ব্যবস্থার নানা অনিয়ম ও নিম্নমানের খাবার নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আবাসিক ছাত্রীরা। তাদের অভিযোগ, খাবারের মান ও স্বাদ সন্তোষজনক নয় এবং পরিবেশনকারীদের আচরণও অত্যন্ত অমার্জিত। ফলে নিম্নমানের খাবারের অনুপাতে ৪০ টাকা মিল রেট বেশি হওয়ায় অনেকেই নিয়মিত টোকেন কাটতে চান না। এমন পরিস্থিতিতে জুলাই মাস থেকে প্রতি মাসে ন্যূনতম ২৫টি টোকেন (যার মোট মূল্য ১,০০০ টাকা) নেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে হল প্রশাসন।

গত রবিবার (২৬ জুলাই) হল প্রভোস্ট স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আবাসিক শিক্ষার্থীরা ধারাবাহিকভাবে ডাইনিংয়ের নির্ধারিত মিলের টাকা পরিশোধ না করলে তাদের জরিমানা করা হবে। এছাড়া টানা তিন মাস মিলের টাকা পরিশোধ না করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর আবাসিক সিট বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ক্ষোভ প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, ডাইনিংয়ের খাবারের মান উন্নয়ন ও সেবার মান নিশ্চিত না করে শিক্ষার্থীদের ওপর কেবল শাস্তিমূলক ব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়া একেবারেই অন্যায্য।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (এআইএস) বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, পড়াশোনা ও পরীক্ষার চাপ সামলাতে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খুবই প্রয়োজন। কিন্তু আমাদের হলের খাবারের স্বাদ ও মান খুবই হতাশাজনক। অনেক সময় আলু আধাসেদ্ধ থাকে, মুরগির টুকরো দেওয়া হয় নামমাত্র এবং খাবার মুখে তোলাই কঠিন হয়ে পড়ে। পরিবেশনকারীদের ব্যবহারও খারাপ। মিলের মূল্য বাড়লেও মান উন্নয়নের নিশ্চয়তা নেই। খাবারের মান ভালো হলে স্বতঃস্ফূর্তভাবেই ছাত্রীরা টোকেন কাটত।

আরেক ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেন, সময়মতো খাবার দেওয়া হয় না এবং কর্মীদের আচরণও রূঢ়। মেঝেতে খাবার রেখে প্রস্তুত করার মতো অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি করা হয়। এসব মানহীন খাবার খেয়ে আমি অসুস্থও হয়ে পড়েছিলাম। জোরপূর্বক টোকেন কাটানো কখনোই এর সমাধান হতে পারে না।

এ বিষয়ে তাপসী রাবেয়া হলের প্রভোস্ট ড. নাজনীন নাহার বলেন, হলে বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা থাকেন, তাই সবার খাবারের রুচি এক হবে না এটাই স্বাভাবিক। তারপরও রাঁধুনি ও ডাইনিং পরিচালকদের তদারকিতে রাখা হয় যাতে খাবারের মান ভালো থাকে।

তিনি আরও বলেন, অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত টোকেন না কাটায় ডাইনিং পরিচালনায় আর্থিক চাপ তৈরি হয় এবং মিল রেটও বেশি রাখতে হয়। বিষয়টি সমাধানে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। তবে দায়িত্বপ্রাপ্তদের অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)