স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
ভুয়া মেডিকেল রিপোর্ট সরবরাহের অভিযোগে যশোরে পুলিশ হাসপাতালের ল্যাব টেকনিশিয়ান রফিকুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ।
আটক রফিকুল যশোর সদরের ইছালি গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে।
মঙ্গলবার আটক রফিকুলকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, যশোর গোয়েন্দা শাখার সাইবার ক্রাইম শাখার পুলিশ সদস্য আসাদুর রহমান গত ১৪ জুলাই তার স্ত্রীকে নিয়ে পুলিশ হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে যান। ডাক্তার রোগী দেখে সিবিসি ও টিএসএইচ পরীক্ষা করাতে বলেন। আসাদুর রহমান তার স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালের ল্যাবে গেলে আসামি রফিকুল ইসলাম টিএসএইচ পরীক্ষা বাইরে থেকে করানোর কথা বলে তার কাছ থেকে পাঁচশ টাকা গ্রহণ করেন।
এরপর আসামি রফিকুল সিবিসি রিপোর্ট পুলিশ হাসপাতালের প্যাডে ও টিএসএইচ পরীক্ষার রিপোর্ট কুইন্স হসপিটালের প্যাডে দেন। পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে তিনি ডাক্তার দেখিয়ে প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ খাওয়াতে থাকেন। পরদিন সন্ধ্যায় রোগীর সমস্যা বেড়ে যাওয়ায় তিনি রিপোর্ট নিয়ে কুইন্স হসপিটালে যান পুনঃপরীক্ষার জন্য। কুইন্স হসপিটাল কর্তৃপক্ষ রিপোর্টটি তাদের সার্ভারে না পেয়ে জাল বলে জানিয়ে দেয়।
বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে আসাদুর রহমান ইউনিট ইনচার্জকে অবহিত করেন। পরবর্তীতে তিনি খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, আসামি এর আগে কুইন্স হসপিটালে চাকরি করতেন। জালিয়াতির অভিযোগে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এ ঘটনায় আসাদুর রহমান কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা করেন।
মামলার অভিযোগের ভিত্তিতে গোয়েন্দা শাখার সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের এসআই দেবব্রত ঘোষ আসামি রফিকুল ইসলামকে আটক করেন। এদিন তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।