জিয়াউদ্দিন সাইমুম
, ঢাকা
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত শিশুতোষ গান হচ্ছে এ রকম:
‘প্রজাপতি প্রজাপতি
কোথায় পেলে ভাই এমন রঙ্গীন পাখা
টুকটুকে লাল নীল ঝিলিমিলি আঁকাবাঁকা।।
তুমি তুলতুলে বন-ফুলে মধু খাও
মোর বন্ধু হয়ে সেই মধু দাও,
ওই পাখা দাও সোনালী-রূপালী পরাগ মাখা।।
মোর মন যেতে চায় না পাঠশালাতে
প্রজাপতি, তুমি নিয়ে যাও সাথী করে তোমার সাথে।’
প্রজাপতি আকৃতির দিক থেকে এক ইঞ্চির আট ভাগের এক থেকে ১২ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এদের পাখার ওজন সাধারণত গোলাপ পাপড়ি থেকেও হালকা। কিন্তু এই পাখার সাহায্যেই এরা হাজার মাইল পাড়ি দেয়। প্রজাতিভেদে গতিবেগ হয় ঘণ্টায় ১২ মাইল থেকে ২৫ মাইল। তবে দাপুটে শীতে এরা উড়তে পারে না। তাই এন্টার্কটিকা মহাদেশে প্রজাপতি নেই।
যিশু খ্রিস্টের জšে§র সাড়ে তিন হাজার বছর আগে গড়া মিসরের হিবেস মন্দিরের দেয়ালে প্রজাপতি অঙ্কিত রয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রজাপতির অনেক নাম আছে। লাতিন আমেরিকার অনেক দেশে প্রজাপতিকে ডাকা হয় ‘ম্যারিপোসাস’ নামে। পর্তুগাল ও ব্রাজিলে ডাকা হয় ‘বরবোলেটাস’ নামে। রাশিয়ায় ‘ব্যাবোচকা’, আমেরিকায় ‘টিটারনিগ’ ও নাইজেরিয়ায় ডাকা হয় ‘ওলুকওলোমবুকা’ নামে।
বিশ্বে ২৪ হাজার প্রজাতির প্রজাপতি চিহ্নিত হয়েছে। সংখ্যাটি দিন দিন বাড়ছে। অথচ পরিবেশগত বিপর্যয়ের কারণে প্রজাপতির সংখ্যা কমছে আশঙ্কাজনক হারে।
যারা প্রজাপতিসহ বিভিন্ন কীট-পতঙ্গ খান তাদেরকে বলা হয় এনটোমোফাগি। লাতিন এই শব্দটির অর্থ ‘কীটভক্ষক মানুষ’। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকার কিছু মানুষ নানা প্রজাপতিসহ নানা ধরনের কীট খেয়ে আসছেন। বিজ্ঞানীরা বলেন, কীট হচ্ছে প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ পদার্থ ও চর্বির অন্যতম উৎস।
প্রজাপতির শিকারির সংখ্যাও নেহায়েত কম নয়। এই তালিকায় রয়েছে বোলতা, মাছি, পাখি, সাপ, ব্যাঙ, ইঁদুর, গিরগিটি, ঘাসফড়িং— এমনকি বানরও।
প্রজাপতির রক্ত শীতল। মানুষের মতো এরা বিপাকীয় ক্রিয়ায় দেহে তাপ উৎপাদন করতে পারে না। সূর্যকিরণের মাধ্যমে এরা দেহের উত্তাপ বাড়ায়।
প্রজাপতি অতিবেগুনি রশ্মি দেখতে পায়। এ কারণে তারা অতি পরিষ্কারভাবে গাছের ফুল দেখতে পায়। বাতাসে ভেসে থেকে ফুলের মিষ্টি রস শোষণের ক্ষমতা ওদের এখানেই। অবশ্য এদের গলার পেশি বেশ শক্ত হওয়ার কারণেও এরা বাতাসে স্থির হয়ে ভেসে থেকে পাখা ও ঘাড় নাড়াতে পারে ইচ্ছেমতো।
আবার কোনো কোনো প্রজাপতির রঙিন ডানায় অতিবেগুনি রশ্মি প্রতিফলিত হয়। এদের তখন অন্য প্রজাপতি সহজে দেখতে পায়।
প্রজাপতির শ্রবণশক্তি নেই। তবে এরা কম্পন অনুভব করতে পারে এবং শিকারির উপস্থিতি টের পেয়ে দ্রুত লুকিয়ে পড়ে।
মর্দা প্রজাপতির চেয়ে মাদি প্রজাপতি আকারে বড়; বাঁচেও বেশি দিন। শক্ত খাবার এরা খেতে পারে না। তরল খাবার খেয়েই দুই-তিন সপ্তাহের জীবন পার করে দেয়।
প্রজাপতির চোখ বেশ জটিল। এটা প্রায় ছয় হাজার লেন্স দিয়ে তৈরি।
কাঁকড়া ও লবস্টার চিংড়ির সঙ্গে প্রজাপতির একটা মিল রয়েছে। আর তা হচ্ছে এদের কঙ্কাল দেহের বাইরে থাকে। এদের ফুসফুসও নেই, পাকস্থলির সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়। প্রজাপতি পা দিয়ে খাবারের স্বাদ নিতে পারে।
নগরায়ণ ও কৃষি উন্নয়নের কারণে প্রজাপতি যেমন আবাস হারাচ্ছে, তেমনি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেও এদের অস্তিত্ব এখন হুমকিতে রয়েছে। সপ্তাহে একসঙ্গে এক থেকে চার হাজার ডিম পেড়েও এরা আজ বিপন্ন। পরাগায়ণের ক্ষমতার দিক থেকে মৌমাছির পরেই এদের স্থান।
যারা প্রজাপতি নিয়ে গবেষণা করেন তারা ‘নেপিডোপটারিস্ট’ নামে পরিচিত। কিছু কিছু প্রজাপতির পাখায় ‘আইস্পট’ রয়েছে, যা দেখতে অবিকল চোখের মতোই। এ কারণে শত্রুরা এদের ঘাঁটাতে দুইবার ভাবে।
প্রজাপতি সব সময় ফুলের মিষ্টি রস খায়, তা নয়। মাঝে মাঝে এরা কাদা থেকে খনিজ উপাদান শুষে নেয়।
বাংলাদেশে প্রজাপতি নিয়ে গবেষণা ও আগ্রহ বাড়ছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সীমিত পরিসরে গড়ে তোলা হয়েছে প্রজাপতির অভয়ারণ্য। আর চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশ পথেই রয়েছে দেশের একমাত্র প্রজাপতি পার্ক। মোট সাড়ে পাঁচ একর জায়গা জুড়ে তৈরি হয়েছে এই প্রজাপতি পার্ক। একপাশে নেভাল বেইস আরেক পাশে এয়ারপোর্টের মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে ওঠা এই পার্ক ইতিমধ্যে অনেকের নজর কাড়তে পেরেছে। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল বাশারের নেতৃত্বে গাজীপুরে গড়ে তোলা হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক প্রজাপতি পার্ক। তারই প্রচেষ্টায় ২০১০ সালের ২৩ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের প্রথম প্রজাপতি মেলা। একই বছরের ৩ ডিসেম্বর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েও আরেকটি প্রজাপতি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আসলে প্রজাপতি নয়ন জুড়ানো সুন্দর। তাই বিশ্বে নানা প্রান্তে গড়ে উঠেছে অনেক প্রজাপতি পার্ক, প্রজাপতি চিড়িয়াখানা, মিউজিয়াম ও সংরক্ষণ প্রতিষ্ঠান। মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর প্রজাপতি পার্ক সবচেয়ে বিখ্যাত।
প্রজাপতির ছবি তোলা আর প্রজাপতি সংরক্ষণও কারো কারো কাছে অনেক বড় একটা শখ এবং শুধু প্রজাপতির ছবি তোলে এমন লোকের সংখ্যা পৃথিবীতে কম নয়। আবার প্রজাপতি দিয়ে অনেক চমকপ্রদ ও শখের মূল্যবান শো-পিস ও গিফট সামগ্রী বানানো হয়, যা বিক্রি হয় চড়া দামে।
প্রজাপতির ইংরেজি নাম বাটারফ্লাই। কিন্তু অনেক আগে তার আসল নাম ‘বাটারফ্লাই’ ছিল না, ‘ফ্লাটারবাই’ ছিল।
প্রজাপতি হলো এক ধরনের পতঙ্গ। অনেকের বিশ্বাস, মাখন রঙের মাছি অর্থাৎ বাটার-কালারড-ফ্লাই থেকেই বাটারফ্লাই শব্দটির জš§। আরেক তথ্যে জানা যায়, প্রাচীন ইংরেজি ভাষায় ‘বাটারফ্লাই’ শব্দটিকে বলা হতো ‘বাটারফ্লোয়েজ’। আবার প্রাচীন ডাচ ও জার্মান ভাষায় বলা হতো ‘বাটারফ্লিয়েজ’। সব শব্দের অর্থ কিন্তু একই— বাটারফ্লাই। জার্মান ভাষায় বাটারফ্লাইয়ের আরেক নাম হলো ‘মিলচদিয়েব’। এই শব্দটির ইংরেজি রূপ হলো ‘মিল্ক-থিফ’। বাংলা করলে দাঁড়ায় দুধচোর! বাটারমিল্ক বা ঘোলের গন্ধ প্রজাপতির খুব প্রিয়। কোথাও ঘোলের গন্ধ পেলে ওরা সেখানে দলবেঁধে ছুটে যায়। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পূর্ব ইউরোপের অনেক এলাকায় এক সময় প্রজাপতির চাষ হতো। বলা হয়ে থাকে, গায়ের রঙ মাখনের মতো কিংবা বাটারমিল্কের প্রতি ভীষণ টান থাকার কারণেই প্রজাপতির ইংরেজি নাম হয়েছে ‘বাটারফ্লাই’।
পৃথিবীর প্রাণিজগতকে যে প্রধান দশ পর্বে ভাগ করা হয়েছে বর্তমানে জীবিত প্রাণীদের মধ্যে আর্থোপোডা বা সন্ধিপদযুক্ত প্রাণীদের সংখ্যাই প্রায় ৮০ ভাগ। আর আর্থোপোডা প্রাণীদের মধ্যে ইনসেক্ট বা পতঙ্গ (যাদের দেহ মাথা, থোরাক্স ও এবডুমেন এই তিন ভাগে বিভক্ত, তিন জোড়া পা, যৌগিক চোখ ও দুটো অ্যান্টেনা আছে) বর্গভুক্ত প্রাণীদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। প্রজাপতি সেই পতঙ্গ বর্গভুক্ত এক ধরনের প্রাণী।
উপরে নিচে ডানা ঝাপটে এরা উড়ে চলে। অবাক হলেও সত্যি যে, কিছু কিছু প্রজাপতি উড়তে উড়তে চার থেকে পাঁচ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দেয়, যাদের মাইগ্রেটরি বা পরিযায়ী প্রজাপতি বলে।
দেরিতে হলেও বাংলাদেশে প্রজাপতির বাণিজ্যিক দিক নিয়ে গবেষণা হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রজাপতি গবেষক অধ্যাপক ড. মনোয়ার হোসেন বলেছেন, প্রজাপতির মাধ্যমে সৌরশক্তি উৎপাদন সম্ভব। তার মতে, প্রচলিত সোলার প্যানেলের চেয়ে প্রজাপতির পাখায় সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা দশ গুণ বেশি। কোরিয়া ও চীনে প্রজাপতির পাখা ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়ে গেছে। আর প্রজাপতি রফতানি করেও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় সম্ভব।
অন্যদিকে প্রজাপতির মাধ্যমে জীবন রক্ষাকারী ওষুধ তৈরির গবেষণা হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। এখানকার জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এমএ বাশার এই গবেষণায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
রংবেরঙের ফুলে, লতাপাতায়, ঝোপঝাড়ে বিচিত্র বর্ণের নানা প্রজাপতি যখন উড়ে বেড়ায় তখন মন জুড়িয়ে যায়। রংধনুর সব রঙ যেন প্রজাপতির পাখায় উঁকি দেয়। মৌমাছির মতো প্রজাপতিও ফুলে ফুলে উড়ে বেড়ায়, মধু খায়, ডানা মেলে ফুলের সঙ্গে ভাব জমায়।
প্রজাপতি নিয়ে হাজারো কাহিনি, কিংবদন্তি, লোকগাথা রয়েছে। গ্রিকরা মনে করে, প্রজাপতি হলো মৃত আত্মার প্রতীক। গ্রিকে তাই অনেক জায়গায় কবরের ফলকে প্রজাপতির চিত্র আঁকা থাকে। রুমানিয়ার লোকদের বিশ্বাস, প্রাচীনকালের কোনো দেব-দেবীর চোখের পানি থেকে প্রজাপতির সৃষ্টি।
শ্রীলঙ্কায় আদম পিক বা আদমশৃঙ্গ নামে একটি পাহাড় আছে। ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন, স্বর্গচ্যুত হয়ে হজরত আদম (আ.) এই পাহাড়ের চূড়ায় নেমেছিলেন। বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঝাঁকে ঝাঁকে প্রজাপতি দূর-দূরান্ত থেকে এই পাহাড়ের চূড়ায় ছুটে আসে।
বিরাট আকৃতির প্রজাপতি এখনো দেখা যায় দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় নিউ গিনি অঞ্চলে। এগুলোর নাম কুইন আলেকজান্দ্রিয়া বার্ড উইং। পাখার পরিধি ১১ ইঞ্চি। ব্রাজিলের জঙ্গলে এক অত্যাশ্চর্য প্রজাপতির দেখা মেলে। যার রঙের বৈচিত্র্য সত্যি অনবদ্য। যখন ডানা মেলে উড়ে যায় নীল রং বিচ্ছুরিত হতে থাকে। তবে গবেষক ও পরিবেশবাদীদের রায়ে নিউগিনির পাহাড়ি অঞ্চলের পলিসিও ওয়েস্কি বিশ্বের সেরা প্রজাপতি। এদের পাখায় বাদামি, নীল রং, তেমনি গঠন বৈচিত্র্যও অপূর্ব। কোথাও কোথাও লেজ ঝোলা প্রজাপতিও দেখা যায়।
প্রজাপতির ডানার আকার আকৃতি নিয়ে গবেষণায় মেতে আছেন এমন প্রযুক্তিবিদরা প্রজাপতির ডানা অনুসরণ করে নতুন নতুন ঘুড়ি আর এয়ারক্রাফট ডিজাইন করছেন। আলোর প্রতিফলন আর বিচ্ছুরণ নিয়ে এক গবেষণায় দেখা গেছে, সয়ালোটেইল বাটারফ্লাইয়ের ডানার আঁশ এই কাজে অনেক বেশি কার্যকর। আর এর থেকে তৈরি করা সম্ভব হয় আলোক বিচ্ছুরক বা লাইট-এমিটিং ডায়োড।
ন্যানো প্রযুক্তিবিদরাও বসে নেই। তারা প্রজাপতির ডানার বর্ণশৈলী দেখে নতুন ধরনের পেইন্ট আবিষ্কারের কথা ভাবছেন। যাতে কোনো ধরনের বিষাক্ত উপাদানের ব্যবহারের দরকার হবে না। প্রযুক্তিবিদরা দাবি করেছেন, ন্যানো প্রযুক্তির সাহায্যে বর্তমানের ডিসপ্লে প্রযুক্তিরও আরো অনেক বেশি উন্নয়ন সম্ভব।
ঋতু বদলের সঙ্গে সঙ্গে কিছু কিছু প্রজাতির প্রজাপতির ডানার আকার আকৃতি আর বর্ণ ও নকশায় পরিবর্তন আসে। কীভাবে এই ঋতু পরিবর্তন জীবের আকার-প্রকৃতির বংশগত প্রকাশে প্রভাব ফেলতে পারে তা নিয়ে গবেষণা চলছে। প্রজাপতির এ ধরনের পরিবর্তন পুরোমাত্রায় বুঝে ওঠা সম্ভব হলে ভবিষ্যতে কেবল পতঙ্গ পর্যবেক্ষণ করেই ঋতুবদলের সঙ্গে জলবায়ুর সামান্যতম বদলে যাওয়াও টের পাওয়া যাবে।
তবে সাধারণ পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, শুকনো মওসুমে প্রজাপতির গঠন বৈচিত্র্য অনেক বেশি রহস্যময় হয়ে ওঠে। এ সময় মলিন পরিবেশে ডানার আইস্পটটি লোপ পেতে দেখা যায়। আবার বর্ষা মওসুমে এদের ডানার রং বেশ গাঢ় হয়ে ওঠে। তাপ শোষণের ক্ষমতা বাড়াবার জন্যই এমনটা হয়। মনে করা হয় জীবের টিকে থাকার স্বার্থে আবহাওয়া ও জলবায়ুর সঙ্গে এটি এক ধরনের খাপ খাইয়ে চলা ছাড়া আর কিছুই নয়।