সুবর্ণভূমি ডেস্ক
তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত নতুন ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে কাতার।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে সহায়ক যেকোনো উদ্যোগকে কাতার ইতিবাচকভাবে দেখে।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি দোহায় সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়িয়ে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারে, এমন সব উদ্যোগকে কাতার স্বাগত জানায়। সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের সঙ্গে কাতারের কৌশলগত সম্পর্ক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ বন্ধন রয়েছে। অভিন্ন স্বার্থ ও উদ্বেগের ভিত্তিতে এসব সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।
মাজেদ আল-আনসারি আরও বলেন, অঞ্চল ও বিশ্বের নিরাপত্তার স্বার্থে সহযোগিতা ও সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা যেকোনো প্রতিরক্ষা কাঠামোকে কাতার ইতিবাচকভাবে দেখে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা একটি সম্মিলিত দায়িত্ব। এটি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা প্রয়োজন।
গত শুক্রবার পবিত্র নগরী মক্কায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তির আওতায় তিন দেশ পারস্পরিক নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করবে। পাশাপাশি প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা বাড়ানো, সামরিক বাহিনীগুলোর মধ্যে সমন্বয় এবং যৌথ সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এর মাধ্যমে সম্ভাব্য আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ সক্ষমতা জোরদারের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
তবে এই প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয় বলে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো জানিয়েছে। বরং পারস্পরিক দায়িত্ব ভাগাভাগি ও অভিন্ন নিরাপত্তাবোধের ভিত্তিতে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধি রক্ষাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।
সূত্র: ডেইলি সাবাহ