যশোর, বাংলাদেশ || রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

‘আমি কাতারে বোমা ফেলেছি’ বলে দম্ভোক্তি করলেন নেতানিয়াহু

সুবর্ণভূমি ডেস্ক

প্রকাশ : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ০৮:২২ এ এম
‘আমি কাতারে বোমা ফেলেছি’ বলে দম্ভোক্তি করলেন নেতানিয়াহু

কাতারে বোমা হামলা চালানোর কথা দম্ভের সঙ্গে বলেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

শনিবার ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম আই২৪নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। সেখানে কাতারকে ‘শত্রুভাবাপন্ন’ দেশ হিসেবে উল্লেখ করেন নেতানিয়াহু।

তার দাবি, গাজায় ইসরাইলের চলমান যুদ্ধে কাতার ইসরাইলের নীতিতে কোনো প্রভাব ফেলেনি।

নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমি কাতারে হামলা চালিয়েছি। আমি তাদের ওপর বোমাও ফেলেছি। যুদ্ধের সময় তাদের আক্রমণ করেছি। তারাও আমাকে আক্রমণ করেছে।’

দোহায় ইসরাইলের ওই হামলার এক বছর পূর্তির কয়েক দিন আগে নেতানিয়াহুর এই মন্তব্য এল। ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর দোহায় হামলা চালায় ইসরাইল। এতে হামাসের পাঁচ সদস্য ও কাতারের একজন নিরাপত্তাকর্মী নিহত হন। হামলার সময় সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থিত গাজা যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছিল।

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংঘাতে দীর্ঘদিন ধরে মধ্যস্থতা করে আসছে কাতার। ২০১২ সাল থেকে দেশটিতে হামাসের রাজনৈতিক কার্যালয়ও রয়েছে। কাতারের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধেই দোহায় ওই কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছিল।

দোহায় হামলার তীব্র নিন্দা জানায় কাতার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি হামলাটিকে ‘কাপুরুষোচিত’ বলে আখ্যা দেন। কাতার বলেছিল, এই হামলা ‘সব আন্তর্জাতিক আইন ও রীতির স্পষ্ট লঙ্ঘন’।

ইরান ও পাকিস্তানসহ আরো কয়েকটি দেশ হামলার নিন্দা জানায়। কাতারের প্রতি সংহতি জানাতে এরপর দেশটি সফর করেন জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের নেতারা।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও হামলার নিন্দা জানান। তিনি বলেন, এটি কাতারের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার ‘স্পষ্ট লঙ্ঘন’।

ওই মাসের শেষ দিকে নেতানিয়াহু ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন জসিম আল থানিকে ফোন করেন। হামলার জন্য তারা দুঃখ প্রকাশ করেন।

গাজার অর্থ নিয়ে বিতর্ক

আগামী মাসে ইসরাইলের আইনসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। এর আগে দেশের ভেতরে রাজনৈতিক চাপের মুখে রয়েছেন নেতানিয়াহু। এমন সময়ে গাজায় কাতারের অর্থ পাঠানোর বিষয়েও নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন তিনি।

আই২৪নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ইসরাইলের সহযোগিতায় কাতারের কোটি কোটি ডলার গাজায় পাঠানো হয়েছিল। তার দাবি, এসব অর্থ ছিল মানবিক সহায়তার জন্য। মোসাদ ও শিন বেতের সুপারিশেই অর্থ পাঠানো হয়েছিল বলেও জানান তিনি।

নেতানিয়াহুর ভাষ্য, ‘এসব অর্থ গাজায় ঢোকা মোট অর্থের মাত্র ২ শতাংশ।’

তবে তার সমালোচকেরা অভিযোগ করেন, কাতারের এই অর্থ হামাসকে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামলার প্রস্তুতিতে সহায়তা করেছিল। ওই হামলার পর গাজায় ইসরাইলের ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু হয়।

কাতার এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। দেশটির দাবি, হামাসকে অর্থ দেওয়ার অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।

কাতার আরো বলেছে, তাদের দেওয়া সহায়তা কঠোর নজরদারির মধ্যেই গাজায় পৌঁছেছে।

গত বছরের দোহা ফোরামে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বলেন, ‘আজ যখন তারা (ইসরাইল) বলছে, এটি হামাসকে কাতারের অর্থায়ন, এর কোনো ভিত্তি নেই।’

তিনি বলেন, কাতারের সব সহায়তা গাজা ও সেখানকার মানুষের কাছে গেছে। পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল স্বচ্ছ। যুক্তরাষ্ট্রও এ বিষয়ে পুরোপুরি অবগত ছিল।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)