যশোর, বাংলাদেশ || বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

নোটিস অমান্য করে ভবনে কাজ অব্যাহত রাখায় সরঞ্জাম জব্দ

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি

প্রকাশ : বুধবার, ১৯ আগস্ট,২০২৬, ০৭:০১ পিএম
আপডেট : বুধবার, ১৯ আগস্ট,২০২৬, ০৭:৫৪ পিএম
নোটিস অমান্য করে ভবনে কাজ অব্যাহত রাখায় সরঞ্জাম জব্দ

কেশবপুর শহরে অবৈধভাবে নির্মাণাধীন পাঁচতলা ভবনটি দশদিনের মধ্যে ভেঙে নিতে চূড়ান্ত নোটিস দেন কেশবপুর পৌর প্রশাসক। কিন্তু তার সেই নির্দেশ অমান্য করে ভবনের কাজ অব্যাহত রাখায় বুধবার ওই ভবনে অভিযান চালিয়ে তিন মিস্ত্রির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।

ভবন মালিক রুলিয়া পারভীন পৌর প্রশাসকের নির্দেশ অমান্য করে ওই ভবনের দ্বিতীয়, তৃতীয় এবং চতুর্থ তলায় রাজমিস্ত্রি, স্যানিটারি ও ওয়ারিং মিস্ত্রি দিয়ে ঘরের প্লাস্টার, পানির লাইন এবং বিদ্যুতের ওয়ারিংয়ের কাজ করাচ্ছিলেন। খবর পেয়ে পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) কাজী মো. মেশকাতুল ইসলাম ও পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী এমএম নূর আহম্মেদের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ওই ভবনে অভিযান চালান। তারা মিস্ত্রিদের কাজের সরঞ্জাম জব্দ করার পাশাপাশি কাজ বন্ধ রাখতে বলেন।

সর্বশেষ গত ১৫ এপ্রিল তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক রেকসোনা খাতুন দশদিনের সময় বেঁধে দিয়ে ওই ভবনটি ভেঙে নিতে নির্দেশ দেন। অন্যথায় স্থানীয় সরকার পৌরসভা আইন, ২০২০৮ ও বিএনবিসি-২০৩০ মোতাবেক কেশবপুর পৌরসভার নিজস্ব জনবল দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি অপসারণ করা হবে বলে জানান; যার ব্যয় বহন করবেন ভবন মালিক।

পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, উপজেলার বাওশলা এলাকার জনৈক আনিছুর রহমান এবং তার স্ত্রী রুলিয়া পারভীন কেশবপুর শহরের পুরনো বাসস্ট্যান্ডে নকশাবহির্ভূতভাবে বিদ্যুতের ৩৩ হাজার ভোল্টের মেইনলাইনের মধ্য দিয়ে একটি পাঁচতলা ভবন নির্মাণ করছেন, যা পৌরবিধি সম্পূর্ণরূপে লংঘন করে।

ইতিমধ্যে ওই ভবনে কাজ করতে গিয়ে একজন নির্মাণ শ্রমিক বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। একইসময় দগ্ধ হন আরেকজন শ্রমিক। এরপর ওই ভবনটি ভেঙে ফেলতে তৎকালীন পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভবন মালিকদের ১০/১১/২০২৫, ২৬/১১/২০২৫ এবং ০৭/০১/২০২৬ তারিখে তিন দফা নোটিস দেন।

যার সর্বশেষ স্মারক নম্বর-কেশবপুর/পৌর/২০২৬/০৪। এ সময় তাদের কারণ দর্শানোসহ সাত দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়ে নোটিস দেওয়া হলেও তারা ওই ভবনটি আজ পর্যন্ত অপসারণ না করে, ভবন নির্মাণের কাজ অব্যাহত রেখেছেন।

কেশবপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী এমএম নূর আহম্মেদ বলেন, আনিছুর রহমান এবং তার স্ত্রীকে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভেঙে নেওয়ার জন্য চারদফা নোটিস দেওয়া হলেও তারা কাজ অব্যাহত রেখেছেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক কাজী মো. মেশকাতুল ইসলাম বলেন, নির্দেশনা না মেনে ভবনের কাজ অব্যাহত রাখায় বুধবার অভিযান চালিয়ে মিস্ত্রিদের কাজের সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। ওই ভবন মালিককের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

 

 

 

 

 

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)