যশোর, বাংলাদেশ || সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

যবিপ্রবিতে উত্তরপত্র মূল্যায়নে চালু হচ্ছে কোডিং পদ্ধতি

যবিপ্রবি প্রতিনিধি

প্রকাশ : রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ১১:৩৮ পিএম
যবিপ্রবিতে উত্তরপত্র মূল্যায়নে চালু হচ্ছে কোডিং পদ্ধতি

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) সকল ধরনের পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চালু হতে যাচ্ছে ‘কোডিং পদ্ধতি’।
এ পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর বা পরিচয় গোপন রেখে বিশেষ সংকেত (কোড) ব্যবহারের মাধ্যমে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হবে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৭তম অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে এ পদ্ধতি অনুসরণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর।

উচ্চশিক্ষায় খাতা মূল্যায়নের নিরপেক্ষতা ও অ্যাকাডেমিক গুণমান বৃদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত করা আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। অনেক সময় পরীক্ষক ও শিক্ষার্থীর পূর্বপরিচয় বা ব্যক্তিগত ধারণার কারণে মূল্যায়নে প্রভাব পড়ার একটি পরোক্ষ সম্ভাবনা থেকে যায়। কোডিং পদ্ধতি চালুর ফলে এই ধরনের সকল জটিলতা বা পক্ষপাতের সুযোগ পুরোপুরি বন্ধ হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, একজন শিক্ষার্থীর যোগ্যতার প্রকৃত প্রতিফলন ঘটা উচিত তার অর্জিত নম্বরে। এই কোডিং ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে পরীক্ষক কোনো শিক্ষার্থীর নাম বা রোল নম্বর না জেনেই বস্তুনিষ্ঠভাবে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করতে পারবেন। এতে করে শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা ও পরিশ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন পাবে এবং অ্যাকাডেমিক প্রক্রিয়ার ওপর তাদের আস্থা আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। আসন্ন সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষাগুলো থেকেই পর্যায়ক্রমে এ কোডিং পদ্ধতি কার্যকর করার ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক ও বৈষম্যহীন শিক্ষাঙ্গন হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা ধাপে ধাপে আরও নানা প্রযুক্তিবান্ধব পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

উদ্যোগটির বাস্তবায়ন ও শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক অ্যাকাডেমিক শৃঙ্খলা ও খাতা মূল্যায়নের গুণগত মান উন্নত করতে এই কোডিং পদ্ধতি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হল- পরীক্ষা ব্যবস্থাকে যেকোনো ধরনের বিতর্ক বা সন্দেহের ঊর্ধ্বে রাখা, যাতে কোনো শিক্ষার্থী কোনোভাবেই বৈষম্যের শিকার হয়েছে বলে মনে না করে। একটি শিক্ষার্থীবান্ধব, আধুনিক ও জবাবদিহিতামূলক পরীক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আমরা সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

উল্লেখ্য, এর আগে বিভিন্ন সময় পরীক্ষার খাতায় কোডিং সিস্টেম চালু করার দাবি তুলেছিল যবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)