যশোর, বাংলাদেশ || মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

কালভার্ট ও পাকা ড্রেনের অভাব

জলাবদ্ধতায় আব্দুলপুরে কোটি টাকার সবজির চারা ধ্বংস

স্টাফ রিপোর্টার

, যশোর

প্রকাশ : সোমবার, ২০ জুলাই,২০২৬, ০৮:২৮ পিএম
আপডেট : সোমবার, ২০ জুলাই,২০২৬, ১০:৪০ পিএম
জলাবদ্ধতায় আব্দুলপুরে কোটি টাকার সবজির চারা ধ্বংস

যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের আব্দুলপুর গ্রাম দেশের অন্যতম বৃহৎ সবজির চারা উৎপাদনকেন্দ্র। তবে কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণ ও অপর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার কারণে জলাবদ্ধতায় এখানকার বীজতলার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

এতে কোটি টাকার চারা নষ্ট হওয়ায় ব্যাংক ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে চাষ করা কৃষকেরা চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুলপুর মোড় থেকে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন জেলায় আট থেকে দশ লাখ টাকার সবজির চারা সরবরাহ করা হয়। মাসে এখানে প্রায় দুই থেকে তিন কোটি টাকার চারা বেচাকেনা হয়।

কিন্তু গত বৃহস্পতিবার রাতের ভারী বৃষ্টিতে ভৈরব নদ কাছাকাছি হওয়া সত্ত্বেও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বিস্তীর্ণ বীজতলা তলিয়ে যায়। পরে পানি নেমে গেলেও রোদের তাপে চারাগুলো পচে নষ্ট হচ্ছে।

কৃষক আমিনউদ্দিন বলেন, এলাকায় ৭০-৭৫ জন মূল চারা উৎপাদনকারীর সঙ্গে ৩০০-৪০০ শ্রমজীবী পরিবারের জীবিকা জড়িত। প্রতিবছর জলাবদ্ধতায় ক্ষতি হলেও এবার প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

চাষি শাওন জানান, এনজিও থেকে ২ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে ১০০ বেডে চারা উৎপাদনে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। ইতোমধ্যে অর্ধেক চারা নষ্ট হয়ে দেড় লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়েও তিনি উদ্বিগ্ন।

কৃষক আশরাফুল আলম বলেন, সিনজেন্টার ‘আইসবল’ জাতের ফুলকপির বীজ কিনলেও জলাবদ্ধতায় একটি চারাও ওঠেনি। নতুন করে চাষ শুরু করতে আবার ঋণ নিতে হবে।

কৃষকদের দাবি, ভৈরব নদীর সঙ্গে সংযোগ রেখে ৫৫০ মিটার পাকা ড্রেন ও তিনটি নতুন কালভার্ট নির্মাণ করা হলে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান হবে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করা হলেও এখনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

যশোর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাজিয়া সুলতানা জানান, আব্দুলপুরে সাড়ে সাত হেক্টর জমিতে ৬৪ জন কৃষক বাণিজ্যিকভাবে সবজির বীজতলা করেন। পানি আটকে যাওয়ার খবর পেয়ে শ্রমিক দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পানি অপসারণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, স্থায়ী সমাধানের জন্য তিনটি কালভার্ট ও একটি পাকা ড্রেন নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস পাওয়া গেছে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)