মহেশপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের মহেশপুরে সরকারি বিনামূল্যের ওষুধ অবৈধভাবে মজুদ ও ব্যবহারের অভিযোগে মহেশপুর নার্সিং হোম অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সেবিকা ও প্রতিষ্ঠানের মালিককে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তার এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হেলেনা আক্তার নিপার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানকালে নার্স শিরিনা আক্তারের বেডের নিচ থেকে সরকারি বিনামূল্যের ওষুধ সেফট্রায়ক্সওয়ান ১ গ্রাম এন্টিবায়োটিক ওষুধের ১৯৩ পিস অবৈধভাবে মজুদ পাওয়া যায়।
সরকারি ওষুধ ক্লিনিকের কাজে ব্যবহার ও বিক্রির অভিযোগে তাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এছাড়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক ওবায়দুল হককে সরকারি ওষুধ অবৈধভাবে মজুদ ও ব্যবহারের দায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযান শেষে সরকারি ওষুধগুলো জব্দ করা হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হেলেনা আক্তার নিপা বলেন, সরকারি বিনামূল্যের ওষুধ প্রাইভেট ক্লিনিকে মজুদ ও ব্যবহারের তথ্য পেয়ে দুপুরে মহেশপুর নার্সিং হোম অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির নার্স স্টেশনে নার্স শিরিনা আক্তারের বেডের নিচ থেকে অবৈধভাবে মজুদ করা ১৯৩ পিস সেফট্রায়ক্সওয়ান ১ গ্রাম এন্টিবায়োটিক ওষুধ উদ্ধার করা হয়। যার বাজার মূল্য ২০০ টাকা প্রতিপিস। নার্স শিরিনা আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালতকে জানান- প্রতিষ্ঠানের মালিক এনে সেখানে রাখেন।
আদালত পরিচালনা করেন মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খাদিজা আক্তার।