যশোর, বাংলাদেশ || সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

মহেশপুরে অবৈধ করাতকলে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

প্রকাশ : শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর,২০২৫, ০৬:৪৩ পিএম
আপডেট : শনিবার, ২৯ নভেম্বর,২০২৫, ০১:১৭ এ এম
মহেশপুরে অবৈধ করাতকলে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি
Subornovumi

মহেশপুরে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মবহির্ভূতভাবে অসংখ্য করাতকল পরিচালিত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকি না থাকায় পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল আকার ধারণ করেছে। উপজেলার বারোটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা জুড়ে যেসব করাতকল চালু রয়েছে, তার অধিকাংশই অনুমোদনবিহীন। বনশিল্প (করাত কল) নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা, ২০১২ এর প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ।

লাইসেন্স, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র, ট্রেড লাইসেন্স, টিআইএন সার্টিফিকেট ও ফায়ার সার্ভিসের অগ্নিনিরাপত্তা সনদ ছাড়াই এসব প্রতিষ্ঠান প্রতিদিন কাঠ কাটা, বিক্রি ও পরিবহনের মতো কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এতে যেমন সরকারের রাজস্ব আয় ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি বেড়ে চলছে পরিবেশ দূষণ, শব্দদূষণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর নজরদারির অভাবে অসাধু মালিকরা বসতবাড়ি, স্কুল-কলেজসংলগ্ন এলাকা ও বাজার ঘেঁষে করাত কল গড়ে তুলছে, যা গণমানুষের জন্যে অত্যন্ত স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ। বিশেষ করে রাতে শব্দদূষণ বৃদ্ধি, কাঠেরগুঁড়োর ধুলোয় শ্বাসকষ্ট, শিশু ও বয়স্কদের অসুস্থতা এবং অগ্নিঝুঁকির কারণে মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।

বনবিভাগ জানিয়েছে, অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মাঠপর্যায়ে তালিকা তৈরির কাজ চলছে। বনবিভাগের কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও নিরাপত্তা সনদ ছাড়া কোনো করাতকল পরিচালনা করা যাবে না।

পরিবেশ অধিদপ্তরের ঝিনাইদহ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মুন্তাছির রহমান জানান, অনুমোদনহীন করাতকল পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এবং আইনগত অপরাধ, তাই মাঠপর্যায়ের যাচাই-বাছাইশেষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তারও অনিয়ম বন্ধে কঠোর তদারকি এবং আইনি উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

 

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)