মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরের মণিরামপুরে অননুমোদিত তেল বিক্রেতার গুদাম থেকে ৮৭৫ লিটার জ্বালানি তেল ও ৮৫০ লিটার লুব্রিকেন্ট জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শনিবার বিকেলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহির দায়ান আমিন উপজেলার খেদাপাড়া বাজার থেকে এই তেল ও লুব্রিকেন্ট জব্দ করেন।
তবিবর রহমান নামে এক ব্যবসায়ী নিজের ও পাশের ব্যবসায়ী গোবিন্দ দাসের ধানের গুদামে প্লাস্টিকের ড্রামে এই তেল ও লুব্রিকেন্ট লুকিয়ে রেখেছিলেন।
এদিকে, ভ্রাম্যমাণ আদালত আসার খবর পেয়ে সটকে পড়েন ব্যবসায়ী তবিবর রহমান। জব্দ তেল মণিরামপুর বাজারে ফিলিং স্টেশনে বিক্রি করে টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার কথা বলেন ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহির দায়ান আমিন বলেন, শনিবার দুপুরে আমরা খবর পাই খেদাপাড়া বাজারে ধানের গুদামে প্লাস্টিকের এক ড্রাম তেল মজুদ করা আছে। এই খবরের ভিত্তিতে বিকেলে ঘটনাস্থলে গেলে ড্রামে ১০০ লিটার পেট্রোল পাওয়া যায়। এসময় তেলের মূল মালিক তবিবরকে পাওয়া যায়নি। পরে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তবিবরের গুদাম থেকে আরও তিন ড্রাম জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়েছে। যেখানে ১৩০ লিটার পেট্রোল, ৭৭৫ লিটার ডিজেল, ৮৫০ লিটার লুব্রিকেন্ট, ২২ লিটার হাইড্রোলিক ওয়েল ও ২০ লিটার গিয়ার ওয়েল পাওয়া গেছে।
মাহির দায়ান বলেন, মজুদ জ্বালানি তেল ও মবিল মনিরামপুর বাজারে ফিলিং স্টেশনে তেল বিক্রি করে টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
আব্দুল্লাহ আল আমিন স্থানীয় এক যুবক বলেন, খেদাপাড়া বাজারের জ্বালানি তেল বিক্রেতা তবিবরের সাথে ওই বাজারের ধানের আড়ৎদার গোবিন্দর ভালো সম্পর্ক। তার আড়তে খালি তেলের ব্যারেল রাখতেন তবিবর। শনিবার সকালে তার আড়তে ধানের নিচ থেকে বাজারের লোকজন এক ব্যারেল অকটেন উদ্ধার করে প্রশাসনকে খবর দেয়। এরপর বিকেলে এসিল্যান্ড গিয়ে তবিবরের দোকানে অভিযান চালিয়ে আরও তেল জব্দ করেন।
তিনি জানান, তবিবরের তেল বিক্রির অনুমোদন নেই। তার দোকানে তেলের জন্য গেলে নেই বলে ফিরিয়ে দিতেন। পরে গোপনে তবিবর ১৮০-২০০ টাকা লিটারে পেট্রোল বেচতেন।