সুবর্ণভূমি ডেস্ক
সম্প্রতি জামায়াতের এমপি গাজী নজরুল ইসলামের নারী কেলেঙ্কারি জড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি অ্যাক্টিভিস্ট, বিশ্লেষক ফাহাম আব্দুস সালাম ব্যঙ্গতক ও রসাত্মক পোস্ট দিয়েছেন ফেসবুকে। ফাহামের স্ট্যাটাসটি-
আমি ক্লিয়ার দেখতে পাচ্ছি:
পার্থ সংসদে দাড়ায়ে কইতেছেন:
য়ে মানে আপনারা ঐ সাইডে যারা বসে আছেন - মাঝে মাঝে প্রথম স্ত্রীকে নিয়েও হোটেলে যাইয়েন। শুধু দ্বিতীয় স্ত্রীই হোটেলে যায় আর প্রথম স্ত্রী রান্নাঘরে আলু দিয়ে মুড়িঘন্ট রান্না করছে - এটা কিন্তু ইনসাফ হোলো না।
তারপর ধরেন: মাননীয় স্পীকার! ব্যাক ডেটে কাবিন নামা বানানোকে মনে হয় কুটির শিল্পে পরিণত করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতারা। এখন হোটেলে হোটেলে মোবাইল সার্ভিস থাকছে যে ধরা পড়লেই then and there - সেখানেই দ্বিতীয়, তৃতীয় স্ত্রী উৎপন্ন হবে।
এই কথাগুলো পার্থ বলবেন এমন এক হাসি দিয়ে যে আপনার গা জ্বলে যাবে। রাজাকার বা গুপ্ত ইমপ্লাই করলেও আপনার সেরকম রাগ হয় না।
এদিকে সালাউদ্দিন সাহেব একটু থিয়াট্রিকস করবেন। চোখ নিচু করে পেপারের দিকে তাকিয়ে গলার স্বর নিচু করে বলবেন:
মাননীয় স্পীকার: আমি আপনার মাধ্যমে বিরোধী দলীয় নেতাদের বলতে চাই যে প্রথম স্ত্রীকে নিয়েও কিন্তু হুটেলে যাওয়া যায়। যেতে হবেই - সেটা বলছি না - কিন্তু যাওয়া যায়। বিদ্যমান সংবিধানে কিংবা জুলাই সনদেও প্রথম স্ত্রীকে হুটেলে নিয়ে যাওয়া যাবে না - এমন কোনো ধারা কিন্তু নাই।
আমার মনে হচ্ছে যে নজরুল ইসলাম আপনাদের জন্য ভয়াবহ বোঝা হতে যাচ্ছে। তিনি থাকলেই সংসদে ইঙ্গিতময় কথা বলে - জামাতকে বহু বিয়েগ্রস্থ দল হিসাবে প্রতিভাত করার চেষ্টা চলবে। হাসনাত, নাহিদ ছেলে ভালো কিন্তু কতোক্ষণ হাসি ঠেকায় রাখবে?
মানুষ কিন্তু এটা খাবেও। আপনাদের বিপদ হলো যে জামায়াতে ইসলামীর মানুষদেরকে এমনিতেই জগৎ সংসারের কায়-কারবারে এফিশিয়েন্ট মনে করে না। এর সাথে যদি সেক্স পাগলাও মনে করা শুরু করে— মহা বিপদ।
আমার যা বুঝ - এই ধরনের ঘটনায় দুইটা সমাধান: এক নজরুল ইসলাম আত্মহত্যা করবেন। দুই: জামায়াতে ইসলামী তাকে ডিজওন করবে পুরাপুরি।
আমার মনে হয় যে জামায়াতে ইসলামীর এই ব্যাগেজ পুরাপুরি কাটঅফ করা উচিত। এবং সেটা অফিশিয়ালি - আজান দিয়ে। ওখানেই তাদের ড্যামেজ কন্ট্রোল ও লাভ। নৈলে যেভাবে ট্রোল করা চলবে অনলাইন ও অফলাইনে - আপনারা নিতে পারবেন না।