যশোর, বাংলাদেশ || শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

হাসিনার বক্তব্য জুলাই শহীদদের প্রতি চরম অবমাননা: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

সুবর্ণভূমি ডেস্ক

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট,২০২৬, ০৯:৫৫ এ এম
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট,২০২৬, ০৬:২৩ পিএম
হাসিনার বক্তব্য জুলাই শহীদদের প্রতি চরম অবমাননা: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ভারতে পলাতক মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নয়াদিল্লিতে গণমাধ্যমে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ দেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় জানায়, ওই অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীরা বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও এর জনগণের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিষোদ্গারমূলক বক্তব্য দিয়েছেন, যা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও অগ্রহণযোগ্য।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, এই ধরনের অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে আগেই ভারত সরকারকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট উদ্বেগ জানানো হয়েছিল। তা সত্ত্বেও দিল্লির মাটিতে এ ধরনের গণমাধ্যমের মুখোমুখি হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যা ঢাকা গভীর দুঃখ ও ক্ষোভের সঙ্গে লক্ষ্য করেছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাংলাদেশের জনগণ যখন পরম শ্রদ্ধায় শহীদদের স্মরণ করছে, ঠিক সেই দিনে ভারতের মাটিতে দাঁড়িয়ে শেখ হাসিনার এ ধরনের বক্তব্য প্রচার বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি চরম অবমাননা এবং জুলাই বিপ্লবের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গুরুতর অসম্মান।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠিত তথ্য ও প্রমাণ অনুযায়ী ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে শিশুসহ হাজারো নিরীহ বেসামরিক নাগরিকের ওপর পরিচালিত নৃশংস হত্যাকাণ্ড অস্বীকার করে শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীরা ইতিহাসের গতিপথ উল্টে দেওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা করছেন। তবে বাংলাদেশের জনগণ অতীতেও এমন অপচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দৃঢ়ভাবে পুনর্ব্যক্ত করে জানায়, জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে ধারণ করে বাংলাদেশের জনগণ অঙ্গীকারবদ্ধ যে দেশ আর কখনো ফ্যাসিবাদের অন্ধকারে ফিরে যাবে না এবং বাংলাদেশ কখনোই অন্য কোনো রাষ্ট্রের অধীনস্থ রাষ্ট্র হবে না। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হাসিনা ও তার সহযোগীদের বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আর কখনো কোনো স্থান হবে না।

বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক প্রসঙ্গে বিবৃতিতে বলা হয়, সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং জাতীয় মর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে একটি গঠনমূলক, পারস্পরিক লাভজনক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় বাংলাদেশ।

তবে ২০১৩ সালে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় দণ্ডপ্রাপ্ত হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার একাধিক আনুষ্ঠানিক অনুরোধের বিষয়ে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। উল্টো তাকে প্রকাশ্যে গণমাধ্যমে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার মাধ্যমে নয়াদিল্লি বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতিতে চরম আঘাত হেনেছে, যা দুই দেশের মধ্যকার সৌহার্দ্যপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন যাত্রার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)