কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারের সঙ্গে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় এক সরকারি কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছেন নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।
ওই সরকারি কর্মকর্তার নাম ডা. হোসেন ইমাম। তিনি কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও)।
মঙ্গলবার কুষ্টিয়া-৩ (সদর উপজেলা) ও যুগ্ম দায়রা জজ মো. আরিফুল ইসলাম কারণ দর্শানোর নোটিসটি স্বাক্ষর করেন।
নোটিসে বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল তিনটায় হোসেন ইমামকে বিচারকের কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে একই আসনের জামায়াতের প্রার্থী আমির হামজাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে তিনদিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত সরকারি কর্মকর্তা দায়িত্বে থাকা অবস্থায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচনি প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেছেন। গত ৮ ফেব্রুয়ারি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর এমন অভিযোগ দাখিল করা হয়।
জানতে চাইলে আরএমও হোসেন ইমাম বলেন, 'বিভিন্ন মাধ্যমে আমি জেনেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত নোটিস হাতে পাইনি।'
এ বিষয়ে বিএনপি প্রার্থী জাকির হোসেন সরকার বলেন, একদিন আরএমওর এলাকায় গণসংযোগে গিয়েছিলাম। ওইদিন তার সাথে দেখা হয়েছিল। এর বাইরে তিনি আমার প্রচারণায় অংশ নেননি।
এদিকে, রাশেদ আহমেদ নামে একজন সাধারণ ভোটারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের প্রার্থী আমির হামজাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে তিনদিনের বিনাশ্রম কারাণ্ডে প্রদান করেন নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।
এছাড়া তাকে হ্যান্ডবিল ব্যানার, ফেস্টুন ব্যবহারে সতর্ক করা হয়।