যশোর, বাংলাদেশ || শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

বিদ্যুৎ বিভ্রাটে মাগুরার ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব

মাগুরা প্রতিনিধি

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট,২০২৬, ১১:৫১ এ এম
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট,২০২৬, ০৬:৫৩ পিএম
বিদ্যুৎ বিভ্রাটে মাগুরার ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব

ঘনঘন বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে মাগুরার গ্রাহকরা চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। চলতি সপ্তাহের শুরুতে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে বুধবার থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মো. মহিতুল ইসলাম জানান, জেলায় প্রায় দুই লাখ ৮০ হাজার গ্রাহকের জন্য প্রতিদিন প্রায় ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন। কিন্তু চলতি সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ায় দিন-রাত মিলিয়ে দুই থেকে তিন ঘণ্টা লোডশেডিং দিতে হয়েছে। তবে বুধবার থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত লোডশেডিং প্রায় ছিল না বললেই চলে।

তবে পল্লী বিদ্যুতের কয়েকজন গ্রাহকের দাবি, বাস্তবে লোডশেডিংয়ের মাত্রা আরও বেশি ছিল। সদর উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের মিলন লস্কর ও আড়কান্দি গ্রামের সুজন কুমার বিশ্বাস বলেন, চলতি সপ্তাহের শুরুতে দিনে-রাতে মিলিয়ে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ ছিল না। তবে বুধবার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

অন্যদিকে পৌর এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহকারী ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো) এর নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ ঘোষ জানান, তাদের ৪৩ হাজার গ্রাহকের জন্য প্রতিদিন প্রায় ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন। কিন্তু সপ্তাহের প্রথম দিকে চাহিদার প্রায় অর্ধেক বিদ্যুৎ পাওয়ায় লোডশেডিংয়ের পরিমাণ বেড়ে যায়। তবে বুধবার থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করায় লোডশেডিংও কমেছে।

পৌর এলাকার পারলা গ্রামের বাসিন্দা জোহরা খাতুন বলেন, গত চার থেকে পাঁচ দিন ধরে বিদ্যুৎ কখন আসে, কখন যায়, তা বোঝাই কঠিন হয়ে পড়েছিল। দিনের অধিকাংশ সময়ই বিদ্যুৎ থাকত না।

কলেজ সড়কের চা বিক্রেতা কেরামত আলী বলেন, দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় তার ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। দিনে পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চা বিক্রি কমে গেছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. মনোয়ার হোসেন খান বলেন, বিদ্যুতের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বুধবার থেকে মাগুরা জেলার চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এদিকে, বাজারে এলপি গ্যাসের (সিলিন্ডার) দাম নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে জেলায় পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)