যশোর, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

যশোরে খুচরা বাজারে বেশি দামে সার বিকোচ্ছে

স্টাফ রিপোর্টার

, যশোর

প্রকাশ : শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ১১:০০ এ এম
যশোরে খুচরা বাজারে বেশি দামে সার বিকোচ্ছে

‎সংকট না থাকলেও যশোরে বেশি দামে সার কিনতে হচ্ছে কৃষকদের। খুচরা বাজারে সব ধরনের সারে কেজিপ্রতি পাঁচ থেকে সাত টাকা অতিরিক্ত গুণতে হচ্ছে কৃষকের। ভরা মৌসুমে এ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ কৃষকরা।
‎‎

কৃষি বিভাগের তথ্যানুযায়ী, খোলা বাজারে ইউরিয়া ও টিএসপি সার কেজিপ্রতি ২৭ টাকা দর নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। এছাড়া ডিএপি ২১ ও এমওপির দর নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ টাকা।

কিন্তু খুচরা বাজারে সরকার নির্ধারিত এ দরে সার মিলছে না বলে দাবি করেছেন বেশ কয়েকজন কৃষক।

রাহেলাপুর গ্রামের কৃষক শরিফউদ্দিন বলেন, খুচরা বাজারে ইউরিয়া কেজিপ্রতি ৩৫ টাকা পর্যন্ত কিনতে হয়েছে।

যশোর সদরের হাশিমপুর গ্রামের মামুনুর রশিদ, পল্লব হোসেন, পাঁচবাড়িয়া এলাকার রেজাউল করিম প্রমুখ কৃষক অভিযোগ করেন, টাকা বেশি দিলে সার আছে, কম দিলে নেই।

তাদের ভাষ্য, এখন বস্তাপ্রতি ইউরিয়া আড়াইশ থেকে তিনশ টাকা বেশি দরে কিনতে হচ্ছে। আমরা জানি, সারের সংকট নেই, কিন্তু বাজার ব্যবস্থাপনা ঠিক হচ্ছে না।
কৃষকদের দাবি, গত মৌসুমে যা হোক হয়েছে, কিন্তু এবার শুধুমাত্র সারের দাম বেশির কারণে আমাদের বিঘাপ্রতি খরচ বেড়ে যাবে দুই থেকে তিন হাজার টাকা। সারের দাম কম হলে আমাদের লাভ হতো।

তবে, সারের দাম বেশি নেওয়ার কথা নাকচ করে দিয়ে হাশিমপুর বাজারের সাব-ডিলার আব্দুল মতিন বলেন, ‘আমরা সরকারনির্ধারিত দামেই সার বিক্রি করছি। ডিলারের কাছ থেকে সার পরিবহন করতে ভ্যান-নসিমনে বস্তাপ্রতি আমাদের খরচ পড়ে যায় এক হাজার ৩৪৯ টাকা। কৃষকের কাছে এক হাজার ৩৫০ টাকায় বিক্রি করছি। তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো বাকবিতণ্ডাও হচ্ছে না।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বস্তাপ্রতি সার বিক্রিতে আমাদের লস হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু সেটি করছি যাতে আমাদের এই ব্যবসা বহাল থাকে।’

যশোরের পর্যাপ্ত সার রয়েছে দাবি করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোরের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক মো. আবুল হাসান বলেন, ‘কৃষক তার চাহিদামতো সার পাবেন। সার পাচ্ছেন না বা বেশি দামে কেউ বিক্রি করছে- এমন অভিযোগ পেলেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা। আমরা নিয়মিত মনিটরিং করছি। কোন কৃষক যেন হয়রানির শিকার না হন, তাকে যেন বেশি দামে সার কিনতে না হয়- সেজন্য কাজ করছি।’

তিনি বলেন, যারা কারচুপি করছে তাদের নামে অভিযোগ পাওয়া মাত্রই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, যশোর জেলায় সাত হাজার ৮২২ মেট্রিক টন ইউরিয়া, এক হাজার ৩৮২ টন টিএসপি, তিন হাজার ৮১৯ টন ডিএপি এবং দুই হাজার ১৬৬ টন এমওপি সার বরাদ্দ রয়েছে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)