যশোর, বাংলাদেশ || রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

বিজয়ের মানসিকতা, বড় মঞ্চের স্বপ্ন অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দলের

স্টাফ রিপোর্টার

, যশোর

প্রকাশ : রবিবার, ৯ আগস্ট,২০২৬, ০৩:১৯ পিএম
আপডেট : রবিবার, ৯ আগস্ট,২০২৬, ০৪:০৮ পিএম
বিজয়ের মানসিকতা, বড় মঞ্চের স্বপ্ন অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দলের

জয়ের জন্য শুধু মাঠের প্রস্তুতিই যথেষ্ট নয়, দরকার জয়ের মানসিকতাও। সেই মানসিকতাই গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ জাতীয় ফুটবল দল।

যশোরের শামসুল হুদা ফুটবল অ্যাকাডেমিতে দীর্ঘ আবাসিক ক্যাম্প শেষে দলের লক্ষ্য এখন বড় মঞ্চে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দেওয়া।

আসন্ন এএফসি এশিয়ান কাপসহ আন্তর্জাতিক ফুটবলে ভালো করার প্রত্যয় নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে দলটি।

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুর ১২টায় অ্যাকাডেমি মাঠে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে দলের প্রস্তুতি, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও লক্ষ্য নিয়ে কথা বলেন প্রধান কোচ জেরার্ড এমলিন জোন্স এবং দলের নতুন মুখ অ্যাডাম আব্বাস।

দীর্ঘ অনুশীলনের ফলে দলের খেলোয়াড়দের সামর্থ্য ও মান মূল্যায়নের সুযোগ হয়েছে বলে মনে করেন কোচ।

তার পরিকল্পনা শুধু সামনে থাকা প্রতিযোগিতাকে ঘিরে নয়; অনূর্ধ্ব-১৭ ও অনূর্ধ্ব-২০ পর্যায়ের আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের জন্যও দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এই প্রস্তুতির অংশ হিসেবে চারটির বেশি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে দল।

প্রতিটি ম্যাচই খেলোয়াড়দের জন্য ছিল ভিন্ন পরিস্থিতিতে নিজেদের যাচাই করার সুযোগ।

শারীরিক শক্তি, কৌশলগত অবস্থান, চাপের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া—সব ক্ষেত্রেই এসব ম্যাচ থেকে অভিজ্ঞতা নেওয়ার চেষ্টা করেছে দল।

মাঠের পিচ কিংবা সার্বিক পরিস্থিতি—কোনোটিকেই অজুহাত হিসেবে দেখতে চান না জেরার্ড এমলিন জোন্স। বরং যেকোনো পরিস্থিতিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে খেলোয়াড়দের স্ট্যামিনা ও ব্যালান্স বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছেন তিনি।

তার কাছে দলের লক্ষ্য একটাই—ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে দেশের জন্য সেরাটা দেওয়া এবং জয় ছিনিয়ে আনা।

এই দলের নতুন সংযোজন অ্যাডাম আব্বাসকে নিয়েও আশাবাদী কোচ। তার চোখে অ্যাডাম পেশাদার, নম্র এবং শেখার মানসিকতাসম্পন্ন একজন তরুণ ফুটবলার।

তাকে আরও দক্ষ খেলোয়াড় ও কার্যকর গোলদাতা হিসেবে গড়ে তুলতে বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে দলের।

বাংলাদেশের জার্সিতে মাঠে নামার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত অ্যাডামও। বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করার অনুভূতিকে আনন্দ ও গর্বের বলে উল্লেখ করেন তিনি।

জাতীয় দল, সহকারী কোচিং স্টাফ ও টেকনিক্যাল টিমের কঠোর পরিশ্রমের প্রশংসা করে অ্যাডাম বলেন, সবাই যেভাবে একসঙ্গে কাজ করছে, সেটি অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

হামজা চৌধুরী ও ইয়াসিন আলফির মতো তরুণ ফুটবলারদের জাতীয় দলে খেলা তাকে অনুপ্রাণিত করেছে। অ্যাডামের বিশ্বাস, বড় স্বপ্ন দেখার সুযোগ এখন তার সামনেও।

আসন্ন এএফসি এশিয়ান কাপসহ বড় মঞ্চে ভালো করাই দলের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। কোচ ও খেলোয়াড়দের মধ্যে চমৎকার বোঝাপড়ার কথা উল্লেখ করে অ্যাডাম বলেন, ঐক্যবদ্ধভাবে কঠোর পরিশ্রমের ধারা ধরে রাখতে পারলে জাতীয় ফুটবল দল দেশকে বড় সাফল্য এনে দিতে পারবে।

ইংল্যান্ড থেকে ঢাকায় এসেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অ্যাডাম। ১৯ বছর বয়সী এই ফুটবলারের মূল পজিশন রাইট উইং। তবে প্রয়োজন হলে সেন্টার ফরওয়ার্ড কিংবা নম্বর নাইন হিসেবেও খেলতে পারেন তিনি।

আরও বড় পরিচয়—ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী দুই ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও বার্নলির যুব পর্যায়ে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।

বাংলাদেশের ফুটবলে নতুন প্রজন্মের যে পথচলা শুরু হয়েছে, অ্যাডাম আব্বাস সেই যাত্রারই নতুন মুখ।

আর যশোরের আবাসিক ক্যাম্পে অনূর্ধ্ব-২০ দল এখন সেই পথচলাকে আরও দূরে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত—লক্ষ্য বড়, আর সেই লক্ষ্যে প্রথম শর্তই জয়ের মানসিকতা।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)