যশোর, বাংলাদেশ || শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

মোহনের রঙ-তুলিতে শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাত্রা

স্টাফ রিপোর্টার

, যশোর

প্রকাশ : শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর,২০২৬, ০৮:৪৫ পিএম
আপডেট : শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর,২০২৬, ১০:২০ পিএম
মোহনের রঙ-তুলিতে শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাত্রা

রঙ-তুলির মাধ্যমে শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাত্রা অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তরুণ চিত্রশিল্পী মোহন। জীবনের কাছাকাছি আর মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কতটা উপভোগ্য করা যায়, তা তার প্রথম একক চিত্র প্রদর্শনীতে তুলে ধরেছেন শিল্পী। খুব সাধারণ পরিবেশ থেকে ওঠে আসা মোহনের স্কেচবুক হাতে ঘুরে ঘুরে সাধারণ মানুষের জীবন ও চরিত্রকে কাছ থেকে দেখেছেন। তাদের কাজ, শরীরী ভাষা, জীবনযাপন এবং দৈনন্দিন সংগ্রামকে উপলব্ধি করার চেষ্টা করেছেন। শিল্পী মুরারি মুরালী মোহনের প্রথম একক চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চিত্রশিল্পী সোহাগ পারভেজ এসব কথা বলেন।

শুক্রবার (৩০অক্টোবর) বিকেলে যশোর ইনস্টিটিউটে  পাঁচ দিনব্যাপী প্রদর্শনীর অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে দেন শিল্পী মুরারি মুরালী মোহন।

অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ভাস্কর মাহবুব জামাল শামিম, চারুপীঠ যশোরের সভাপতি হারুন অর রশিদ, সুরধুনীর সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মাহমুদুল হাসান বুলু, সাংস্কৃতিক সংগঠক সানোয়ার আলম খান দুলু, সুরবিতান সঙ্গীত অ্যাকাডেমির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. বাসুদেব বিশ্বাস, শিল্পী কৃষি গৌতম, জয়তী সোসাইটির পরিচালক অর্চনা বিশ্বাস এবং মোহনের বন্ধু শিল্পী এহসান আল নূর।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাস্কর মাহবুব জামাল শামিম বলেন, ‘মোহনের আত্মা শিশুর মতন পবিত্র। ওকে ভালোবাসতে ইচ্ছে করে। ওর সহজ শিল্পকর্মগুলো সবার মন জয় করবে বলে আশা করছি।’

শিল্পী মোহন বলেন, পাঁচদিনব্যাপী এই চিত্রপ্রদর্শনী প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। প্রদর্শনীতে মোট ৪০টি ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে। তার প্রথম একক চিত্র প্রদর্শনী বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘আমার জন্ম কৃষক পরিবারে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় চান্স না হওয়ায় ২০১৪ সালে এক পর্যায়ে যশোর এস এম সুলতান ফাইন আর্ট কলেজে ভর্তি হই। এরপর এখান থেকে আমার ছবি আঁকার হাতেখড়ি। শিক্ষক, সহপাঠী ও বড় ভাইদের সহযোগিতায় অনেক কিছু শিখেছি। কিন্তু সবচেয়ে বেশি কাজে লেগেছে প্রকৃতির শিক্ষা। প্রকৃতি নিয়ে পাঁচ শতাধিক জলরঙে ছবি এঁকেছি। এই প্রকৃতি দেখার চোখ খুলে দিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যেহেতু গ্রামে জন্ম তাই শৈশব থেকে দেখেছি শ্রমজীবী, মেহনতি বিভিন্ন পেশার মানুষ। আমাদের দেশে অনেক পেশার মানুষ ছিলো যারা সভ্যতার অগ্রগতি ও অপ্রাপ্তিতে অনেকে হারিয়ে গেছে। হারিয়ে যেতে বসেছে তাদের তৈরি শিল্প। আমি সেসকল শ্রদ্ধেয় পেশাদার মানুষদের নিয়ে চেষ্টা করেছি রঙ-তুলি ক্যানভাসের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে। তারাই আমার চোখে প্রকৃত শিল্পী। তারা বেঁচে থাকলে বেঁচে থাকবে দেশ, বেঁচে থাকবে পৃথিবী।’

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)