যশোর, বাংলাদেশ || বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

মহেশপুরে চায়না-থ্রি কমলায় সোনালি স্বপ্ন

লাভের আশায় সফল চাষি হাবিবুর

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

প্রকাশ : বুধবার, ২৮ অক্টোবর,২০২৬, ০২:২৪ পিএম
আপডেট : বুধবার, ২৮ অক্টোবর,২০২৬, ০৪:১৯ পিএম
মহেশপুরে চায়না-থ্রি কমলায় সোনালি স্বপ্ন

নতুন বছরের শুরুতেই ঝিনাইদহে মহেশপুর উপজেলার দিগন্তে ছড়াচ্ছে চায়না-থ্রি কমলার সোনালি আভা। পৌর এলাকার বেগমপুরের সফল চাষি হাবিবুর রহমানের বাগানে এখন থোকায় থোকায় ঝুলছে সবুজ-হলুদ চায়না-থ্রি কমলা। ফলন ভালো হওয়ায় ভালো লাভের স্বপ্ন বুনছেন এই চাষি। বর্তমানে তিনি বাগানের শেষ মুহূর্তের পরিচর্যা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

সরেজমিনে বাগান পরিদর্শনে দেখা যায়, গাছের ডালে ডালে থোকায় থোকায় শোভা পাচ্ছে বাহারি কমলা। চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে কমলার মিষ্টি সুবাস। দৃষ্টিনন্দন এই বাগান দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন স্থানীয় বাসিন্দাসহ দূর-দূরান্ত থেকে আসা কৃষকরা।

চাষি হাবিবুর রহমান জানান, প্রায় ১২ বছর আগে ভারত থেকে চায়না-থ্রি জাতের কমলার ডগা নিয়ে আসেন তিনি। এরপর কলম তৈরির মাধ্যমে প্রথমে পাঁচ বিঘা জমিতে এর চাষ শুরু করেন। বর্তমানে তার বাগানের পরিধি বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৫ বিঘায়। এর মধ্যে এবার ছয় বিঘা জমির কমলা বিক্রির উপযোগী হয়েছে। প্রতিটি গাছে প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ কেজি পর্যন্ত ফলন এসেছে। আর মাত্র ১৫-২০ দিন পর এই কমলা বাজারে বিক্রি শুরু হবে।

তিনি আরও বলেন, 'চায়না-থ্রি কমলা বিদেশি ফল হলেও আমাদের মহেশপুরের মাটি ও আবহাওয়া এই চাষের জন্য খুবই উপযোগী। বাজারে ফরমালিনমুক্ত ও তাজা দেশি কমলার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আশা করছি, এবার এই বাগান থেকে ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকার কমলা বিক্রি করতে পারবো।'

এ বিষয়ে মহেশপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন সুলতানা জানান, হাবিবুর রহমানের মতো উদ্যোক্তাদের হাত ধরে এই অঞ্চলে কমলা চাষে এক অভাবনীয় বিপ্লব ঘটেছে। এবার প্রতিটি গাছেই প্রচুর পরিমাণ কমলার ফলন হয়েছে। সফল চাষ নিশ্চিত করতে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে নিয়মিত পরামর্শ, মাঠ পরিদর্শনের পাশাপাশি চাষিদের সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)