যশোর, বাংলাদেশ || বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

যশোরে নববর্ষে জামায়াত সমর্থিতদের ভিন্নধর্মী আয়োজন

স্টাফ রিপোর্টার

, যশোর

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল,২০২৬, ০২:৩৫ পিএম
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল,২০২৬, ০৩:২৯ পিএম
যশোরে নববর্ষে জামায়াত সমর্থিতদের ভিন্নধর্মী আয়োজন

যশোরে এই প্রথম নববর্ষে আলাদা আয়োজন নিয়ে জনসমক্ষে হাজির হলো জামায়াত সমর্থিত নানা সংগঠন ও তাদের সাংস্কৃতিক কর্মীরা। এদিন তারা শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহে যে আয়োজন করে, তাতে ‘ইসলামি ধারার’ সংস্কৃতি চর্চাকে সামনে আনার প্রয়াস লক্ষ্য করা যায়।

‘নববর্ষের নব স্বপ্নে নব উদ্যমে জাগো’ এই স্লোগানে তারা নববর্ষের অনুষ্ঠান সাজায়। সকালে যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহে যশোর সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্যোগে আয়োজিত এই উৎসব প্রথাগত আয়োজন থেকে ছিল ভিন্ন।

সকাল থেকেই যশোরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নতুন পোশাক পরে উৎসবের আমেজে ঈদগাহে সমবেত হতে শুরু করেন বিভিন্ন মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রী ও আয়োজকরা। যশোর সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের এই আয়োজনে জেলার ১৩টি ইসলামি ধারার সাংস্কৃতিক সংগঠন অংশগ্রহণ করে। ঈদগাহের উন্মুক্ত মঞ্চে শিল্পীদের কবিতা আবৃত্তি, দেশাত্মবোধক গান, লোকগীতি এবং সচেতনতামূলক নাটকের ছিল আয়োজনে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত কনটেন্ট ক্রিয়েটার ও ওয়াজি কবির বিন সামাদ বলেন, ‘অনেকেই মনে করেন পহেলা বৈশাখ মানেই কেবল নির্দিষ্ট কিছু প্রতিকৃতি নিয়ে র‍্যালি বা পান্তা-ইলিশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা। আসলে তা নয়। আমরা বাঙালি এবং এটা আমাদেরই নববর্ষ। আমরা দেখাতে চাই যে, ইসলাম কখনো একগুঁয়েমি বা ধর্মান্ধতা নয়। স্রষ্টার সন্তুষ্টি ঠিক রেখেও যে উৎসব করা যায়, আজকের এই আয়োজন তারই প্রমাণ।’

তিনি বলেন, ‘অপসংস্কৃতি’ নয়, বরং ‘সুস্থ সংস্কৃতি’ চর্চাই সমাজের প্রকৃত কল্যাণ আনতে পারে।

ইসলামি সংগীত শিল্পী রোকনুজ্জামান বলেন, ‘জেলা পরিষদের র‍্যালিতে আমরা বাংলার চিরায়ত ঐতিহ্য—কৃষক, জেলে, মাঝিমাল্লাদের জীবনচিত্র তুলে ধরেছি আমাদের শিশুদের মাধ্যমে। আমাদের উদ্দেশ্য হলো আগামী প্রজন্মকে প্রকৃত দেশপ্রেম নিয়ে গড়ে তোলা।’

আয়োজনে মিষ্টিমুখ, ‘যেমন খুশি তেমন সাজো’, রম্য নাটক এবং যশোরের আঞ্চলিক গানসহ ঐতিহ্যবাহী ভাওয়াইয়া ও ভাটিয়ালি গানের পরিবেশনা দর্শকদের আকৃষ্ট করে।

যশোর সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সদস্য সচিব আবুল হাশিম রেজা বলেন, ‘ব্যতিক্রমী এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা দেশবাসীকে জানাতে চাই যে, এটাই আমাদের শেকড়ের সংস্কৃতি। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এই সুস্থ সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমেই আমাদের জাতীয় আত্মবিশ্বাস, আত্মপরিচয় এবং আত্মপ্রতিষ্ঠা সম্ভব।’

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)