স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
যশোর শহরের পূর্ববারান্দী ফুলতলা মাঠপাড়া এলাকায় ১৩ মামলার আসামি সন্ত্রাসী শরিফুল ইসলাম জিতু হত্যার ঘটনায় কোতয়ালি থানায় মামলা হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে নিহতের ভাই সাইফুল ইসলাম শক্তি চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলাটি করেছেন। তিনি পূর্ববারান্দী মোল্লা পাড়ার সিরাজুল ইসলাম সিরার ছেলে।
একই রাতে পূর্ববারান্দী ফুলতলা মাঠপাড়ায় অভিযুক্তদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। নিহত শরিফুল ইসলাম জিতুর পক্ষীয় লোকজন অগ্নিসংযোগ করে বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানায়, শরিফুল ইসলাম জিতু হত্যামামলার আসামিরা হলেন, পূর্ববারান্দী ফুলতলা মাঠপাড়ার লালু মিয়ার দুই ছেলে সুমন (৩২) ও সজিব (২২), স্ত্রী সুকরন বেগম (৪২) ও সুমনের স্ত্রী পিংকি (২২)।
কোতোয়ালি থানার ইনসপেক্টর (তদন্ত) কাজী বাবুল হোসেন বলেন, জিতু হত্যার মামলার প্রধান আসামি সুমনকে ইতিমধ্যে আটক করা হয়েছে। অন্যদের আটকের চেষ্টা চলছে।
এদিকে, গত শুক্রবার রাত ১০টার দিকে হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে বলে স্থানীয় একটি সূত্র জানিয়েছে। নিহত জিতুর পক্ষীয় লোকজন অগ্নিসংযোগ করে বলে অভিযোগ।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ইনসপেক্টর (তদন্ত) কাজী বাবুল হোসেন বলেন, কারা আগুন দিয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
অপরদিকে, নিহতের পিতা সিরাজুল ইসলাম সিরা জানান, পূর্ববারান্দী ফুলতলা মাঠপাড়ার লালু মিয়ার পরিবারের সদস্যরা চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত ২২ জুলাই রাতে তারা পূর্বপরিকল্পিতভাবে জিতুকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে। বিশেষ করে লালু মিয়ার ছেলে সুমন ওরফে ‘চোর সুমন’ একজন চিহ্নিত অপরাধী।
তার বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় ১১টি মামলা আছে। সে রাস্তায় চলমান ট্রাক বা যানবাহন থেকে বিভিন্ন পণ্য চুরি করে থাকে। চুরির জন্য তার একটি গ্রুপও আছে।