যশোর, বাংলাদেশ || শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

মাগুরা প্রতিনিধি

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট,২০২৬, ০৭:৩২ পিএম
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট,২০২৬, ০৮:৪৯ পিএম
পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

নাশকতা ও হত্যা মামলার এক আসামিকে মাগুরার মহম্মদপুরে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার আছরের নামাজের পর ধোয়াইল বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার এ খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মহম্মদপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক রেজা লেলিনের মালিকানাধীন একটি ঘরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত আহাদ ও সুমন হত্যা মামলার আসামি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল আক্তার কাফুর উজ্জ্বলসহ ১৫-২০ নেতাকর্মী কার্যক্রমনিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের গোপনে সাংগঠনিক সভা করছিলেন।

সেখানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বীরেন শিকদার স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান মিলন, আহাদ ও সুমন হত্যা মামলার আসামি এবং উপজেলা কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন সরদার, যুবলীগ নেতা রফিকুল ফকির (পিতা: কালাম ফকির), আশরাফুল রায়পাশা, মারুফ, বসার, রিংকু, শাহীন, শহীদ, হাফিজার, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সেক্রেটারি মুক্তার, সভাপতি টিপু, ইসলাম, খালেক, রশিদ প্রমুখ।

বুধবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মী পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

তবে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ উজ্জ্বল নামে একজনকে আটক করে। খবর পেয়ে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আরিফুজ্জামান মিল্টনের নেতৃত্বে  তার ভাই ইউসুফ (বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা), যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক রেজা লেনিন এবং সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমানের নেতৃত্বে একদল লোক এসে পুলিশের কাজে সরাসরি বাধা দেন এবং উজ্জ্বলকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেন।

মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম শামীম আহমেদ জানান, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় পালিয়ে যায়। 

উজ্জ্বলকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত আরিফুজ্জামান মিল্টন ও তার ভাই ইউসুফের বিরুদ্ধে এর আগেও পুলিশের গাড়ি থেকে আসামি ছিনতাই, কর্তব্যরত চিকিৎসককে মারধর ও পুলিশের গায়ে হাত তোলাসহ নানারকম বিশৃঙ্খলার অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি হাসপাতালে চিকিৎসককে প্রহার ও লাঞ্ছনার ঘটনায় মিল্টন ও তার ছোট ভাই ইউসুফের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়। এছাড়া ইউসুফের বিরুদ্ধে কিশোর গ্যাং পরিচালনারও অভিযোগ রয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে এসআই সোহাগকে গালিগালাজ-মারধরেরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

অসাংগঠনিক ও মাস্তানিসুলভ আচরণের দায়ে ইউসুফকে আগেই জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)