স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
তরুণীকে আটকে রেখে ভারতে পাচারের চেষ্টা অভিযোগে থানায় নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়েছে।
ঢাকায় ভালো বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে নিয়ে যাওয়ার পর মাগুরায় আটকে রাখা হয়। এরপর ভারতে পাচারের চেষ্টার অভিযোগে আদালতে একটি নালিশি পিটিশন করা হয়। সেই পিটিশন মঙ্গলবার কোতোয়ালি থানায় নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়েছে।
আসামিরা হলো, মাগুরা শালিখা উপজেলার রামপুর গ্রামের সবেদ গাজীর ছেলে আমিজ গাজী, বড় সলোই গ্রামের সিরাজ মোল্লার ছেলে ছরোয়ার হোসেন ও মাগুরা পুলিশ লাইন এলাকার সামছুর ছেলে মোফাজ্জেল হোসেন।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, যশোর সদরের কৈখালী গ্রামের মোজাহার আলীর ছেলের শ্বশুরবাড়ি মাগুরার শালিখা উপজেলার মধুখালী গ্রামে। পার্শ্ববর্তী রামপুর গ্রামের আজিম গাজীর সাথে তার মেয়ের পরিচয় হয়। পরে মোবাইলফোনে তাদের নিয়মিত কথাবার্তার একপর্যায়ে আজিম গাজী তাকে ঢাকায় ভালো বেতনের চাকরির প্রস্তাব দেন।
আজিম গাজীর প্রস্তাবে রাজি হলে গত ৫ জুলাই রাত ৯টার দিকে আজিম গাজী একটি প্রাইভেটকার নিয়ে বাদীর বাড়ির সামনে থেকে মেয়েকে গাড়িতে তুলে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। কিন্তু তাকে ঢাকায় না নিয়ে মাগুরা শহরের অজ্ঞাত একটি স্থানে নিয়ে আটকে রাখে আজিম ও তার সহযোগীরা। সেখানে আসামিরা তাকে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন করে ও ভারতে পাচারের প্রস্তুতি নেয়।
পরে ১৪ জুলাই তার মেয়ে কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে বাড়িতে ফিরে এসে সব কিছু জানান।
এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করতে গেলে কর্তৃপক্ষ তা গ্রহণ না করায় তিনি তিনজনকে আসামি করে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলা করেন।
আদালতের আদেশে মঙ্গলবার অভিযোগটি নিয়মিত মামলা হিসেবে থানায় রুজু হয়।