স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
খুলনার রূপসা উপজেলায় ইটভাটায় ঢুকে যুবদলকর্মী ফখরুল শেখকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় কথিত মূল শুটার মোহাম্মদ ইব্রাহিম হাওলাদারকে যশোর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৬। শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে যশোর শহরতলির ঝুমঝুমপুর এলাকার সীতারামপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইব্রাহিম হাওলাদারের সীতারামপুর এলাকায় আত্মগোপনে থাকার তথ্য পায় র্যাব-৬। পরে রাত ১১টার দিকে ওই এলাকায় ঝটিকা অভিযান চালানো হয়। একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার করে র্যাব সদস্যরা।
যশোর র্যাব-৬-এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর এ.টি.এম. ফকলে রাব্বি প্রিন্স ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তাকে যশোর শহরের সীতারামপুর এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, গত ১১ আগস্ট রাত আনুমানিক ১টার দিকে খুলনার রূপসা উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের কিসমত খুলনা গ্রামের ‘মেসার্স রূপসা ব্রিকস’ ইটভাটায় পাহারার দায়িত্বে ছিলেন ফখরুল শেখ। এ সময় একদল দুর্বৃত্ত ইটভাটায় প্রবেশ করে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়।
গুরুতর আহত অবস্থায় ফখরুলকে উদ্ধার করে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত ফখরুল নৈহাটি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রূপসা কলেজের সাবেক ছাত্রদল নেতা এবং বর্তমানে যুবদলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। তিনি দুই কন্যাসন্তানের জনক।
হত্যাকাণ্ডের পরপরই ছায়াতদন্ত শুরু করে র্যাব। একপর্যায়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে, হত্যাকাণ্ডে সরাসরি গুলি চালানো কথিত শুটার ইব্রাহিম হাওলাদার যশোরে আত্মগোপনে রয়েছেন। এরপর তার অবস্থান শনাক্ত করে সীতারামপুর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ইব্রাহিমকে খুলনার রূপসা থানায় হস্তান্তরের আইনি প্রক্রিয়া চলছে। হত্যাকাণ্ডে আরও কারা জড়িত এবং কী কারণে ফখরুলকে হত্যা করা হয়েছে, তা তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।