স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে বেসামরিক পদে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাতজনের কাছ থেকে ১১ লাখ ২০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগে তাহাজুর রহমান রাজন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের একজন মোহাম্মদ আলী রোববার (১৬ আগস্ট) যশোর সদর আমলি আদালতে মামলাটি করেন।
মামলার অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য কোতোয়ালি থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল। অভিযুক্ত রাজন সদর উপজেলার রামনগর গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে।
মামলার বাদী সদর উপজেলার চাঁদপাড়া পশ্চিমপাড়ার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মোহাম্মদ আলীর অভিযোগ, রাজন তার আত্মীয়। সেই সুবাদে ঘনিষ্ঠতার একপর্যায়ে রাজন জানান, তার শ্বশুর সেনাবাহিনীর জেসিও পদে চাকরি করেন এবং তার মাধ্যমে বেসামরিক চাকরি দেওয়া সম্ভব। এ জন্য জনপ্রতি এক লাখ ৬০ হাজার টাকা দাবি করেন তিনি।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১২ জুন মোহাম্মদ আলীসহ সাতজন রাজনকে প্রথমে ৬০ হাজার টাকা করে দেন। পরে নিয়োগপত্র দেওয়ার কথা বলে প্রত্যেকের কাছ থেকে আরও এক লাখ টাকা নেন তিনি।
এরপর তাদের দেওয়া নিয়োগপত্র নিয়ে ২১ আগস্ট ঢাকায় সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে যোগ দিতে গেলে কর্তৃপক্ষ সেগুলো ভুয়া বলে জানায়।
বিষয়টি জানানো হলে রাজন টাকা ফেরত না দিয়ে নানা টালবাহানা করতে থাকেন। চলতি মাসের ৮ আগস্ট তিনি মোহাম্মদ আলীর বাড়িতে গেলে অন্য ভুক্তভোগীরাও সেখানে উপস্থিত হন।
টাকা ফেরত চাওয়া হলেও রাজন তা দিতে অস্বীকার করেন। পরে বাধ্য হয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন মোহাম্মদ আলী।