যশোর, বাংলাদেশ || সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

‘আমার বউ-শাশুড়ি মিলে মাকে মেরে ফেলেছে’

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি

প্রকাশ : রবিবার, ৩০ আগস্ট,২০২৬, ০৮:২০ পিএম
আপডেট : রবিবার, ৩০ আগস্ট,২০২৬, ০৮:৪৬ পিএম
‘আমার বউ-শাশুড়ি মিলে মাকে মেরে ফেলেছে’

‘আমার মা সকালে কাজে গিয়ে দুপুরে ফিরেছিল। তাকে বাড়ি রেখে বিকেলে ভ্যান চালাতি গিছি। মা সুস্থ ছিল। আমার সাথে কথা বলেছে। রাতে মণিরামপুর বাজারে থাকতি ফোনে শুনি আমার মা বেঁচে নেই। তড়িঘড়ি বাড়ি এসে দেখি মার লাশ বারান্দায় শোয়ানো। থুতনির নিচে কাটা দাগ। রক্ত বের হয়ে আছে। গায়ের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন। বাড়িতে আমার বউ ও শাশুড়ি ছিল। তারা দুজনে মাকে মেরে ফেলেছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই’- এই কথাগুলো যশোরের মণিরামপুর উপজেলার শিরালি মদনপুর গ্রামের ঋষিপল্লির বাসিন্দা হৃদয় দাসের।

শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে হৃদয়ের মা পুষ্পা দাসের (৪৫) হঠাৎ মৃত্যু হয়েছে। তিনি রঞ্জন দাসের স্ত্রী।

ছেলে হৃদয়সহ স্থানীয়দের অভিযোগ পুষ্পা দাসের পুত্রবধূ (হৃদয়ের স্ত্রী) মিতা দাস (২২) ও মিতা দাসের মা সুনীতা দাস (৪৫) পিটিয়ে তাকে হত্যা করেছে।

খবর পেয়ে রোববার দুপুরে থানা পুলিশ পুষ্পা দাসের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেছে। একইসাথে নিহতের ছেলের দাবির মুখে পুলিশ অভিযুক্ত হৃদয়ের শাশুড়ি সুনীতা ও স্ত্রী মিতাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে।

সন্ধ্যায় এই খবর লেখা পর্যন্ত পুষ্পা দাস নিহতের ঘটনায় থানায় মামলা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছিল পুলিশ।

অভিযুক্ত সুনীতা দাস একই উপজেলার খেদাপাড়া ঋষিপল্লির বলাই দাসের স্ত্রী।

হৃদয় দাস বলেন, শাশুড়ি এর আগেও একাধিকবার আমাদের বাড়িতে এসে মার সাথে ঝগড়া করেছে। মাকে মারপিট করেছে। শনিবার রাতে বউ ও শাশুড়ি মিলে আমার মাকে পিটিয়ে মেরেছে।

এদিকে, অভিযুক্ত সুনীতা দাস বলেন, ‘শনিবার সন্ধ্যায় হৃদয়ের মা ঘরে ঘুমিয়ে ছিল। আমি, আমার মেয়ে ও নাত ছেলে মিলে দোকানে গিছি। ফিরে এসে দেখি পুষ্পা দিদি বারান্দার কানাচে মরে পড়ে আছে।’

মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ বলেন, ‘নিহত পুষ্পা দাসের দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করিয়েছি।’

ওসি বলেন, ‘অভিযুক্ত মিতা দাস ও সুনিতা দাস পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। নিহতের ছেলের দাবির মুখে আমরা এজাহার গ্রহণ করছি।’

 

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)