স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
যশোরে পুলিশ সদস্য পরিচয়ে দোকান থেকে ২০ হাজার টাকার থ্রিপিস নিয়ে চম্পট দেওয়ার চেষ্টাকালে হাসান মুন্সী নামে এক যুবক আটক হয়েছেন। রোববার (১৯ এপ্রিল) সকালে শহরতলীর পুলেরহাট থেকে তাকে আটক করা হয়।
পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে নেওয়া হলে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। হাসান মুন্সী নড়াইল শহরের মাদ্রাসা রোডের আব্দুল হাই মুন্সীর ছেলে।
কোতোয়ালি থানার এসআই অমৃত লাল দে জানান, সকালে হাসান মুন্সী পুলেরহাটের একটি কাপড়ের দোকানে যান। এ সময় তার কাছে ওয়াকিটকির মতো একটি বস্তু ছিলো। তিনি ওই দোকান থেকে ২০ হাজার টাকার থ্রিপিস নেওয়ার পর নিজেকে পুলিশ সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন।
পুলেরহাটের শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে তিনি কর্মরত আছেন বলেও জানান। এরপর তিনি ‘কর্মস্থল থেকে ২০ হাজার টাকা এনে দিচ্ছি’ বলে থ্রিপিস নিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে দোকানিসহ স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়। তারা হাসান মুন্সীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে স্বীকার করেন তিনি পুলিশ সদস্য নন।
তখন স্থানীয় লোকজন তাকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন। এরপর বিকেলে তাকে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামীম হোসাইনের কার্যালয়ে হাজির করা হয়। এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামীম হোসাইন পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে সাত দিনের কারাদণ্ড প্রদান করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
এদিকে, আটক হাসান মুন্সী দাবি করেন, তার কাছে ২০ হাজার টাকা ছিল। টাকা কী হয়েছে প্রশ্ন করা হলে তিনি একেক সময় একেক কথা বলেছেন। প্রথমে তিনি বলেন, ‘২০ হাজার টাকা দারোগা সাহেব নিয়েছেন। পরে তিনি আবার বলেন, পাবলিক নিয়ে নিয়েছে’।
এসআই অমৃত লাল দে বলেন, ওই ব্যক্তি অসত্য কথা বলছেন।