মেহেরপুর প্রতিনিধি
বিচার কার্যক্রমকে দ্রুত ও ত্বরান্বিত করতে মেহেরপুর আদালতে শুরু হয়েছে ভার্চুয়াল সাক্ষ্য ও জেরা কার্যক্রম।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক দায়রা জজ তাজুল ইসলাম শিশু ধর্ষণ- ৩৬/২৬ মামলায় ভিডিও কলে চিকিৎসক, বিচারক এবং পুলিশের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।
এর মধ্যদিয়ে বিচার কার্যক্রমে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শুরু হলো ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়া।
দুপুর ১টায় মেহেরপুর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে শিশু ধর্ষণ মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হলে ভিডিও কনফারেন্সে মামলার সাক্ষী হিসেবে সংযুক্ত হন মেডিকেল অফিসার সাদিয়া আফরিন সোমা।
তিনি বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিভাগে কর্মরত রয়েছেন।
শিশুর ২২ ধারায় জবানবন্দী গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট বর্তমানে নেত্রকোনা জেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শারমিন নাহার এবং শিশুর মেডিকেল বোর্ডের সদস্য মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) এসএম জাহিদুল ইসলামেরও ভার্চুয়াল সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।
অন্যদিকে, এজলাসে উপস্থিত থেকে ভার্চুয়ালি সাক্ষীদের জেরা করেন রাস্ট্রপক্ষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুলের পিপি মুস্তাফিজুর রহমান তুহিন এবং আসামি পক্ষে আইনজীবী মারুফ আহমেদ বিজন।
এসময় কাঠগড়ায় মামলার বাদীপক্ষ ও আসামি শাকিল হোসেনসহ উৎসুক আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘ দুণ্টা এই চাঞ্চল্যকর শিশু ধর্ষণ মামলার সাক্ষীর জেরা অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১০ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গাংনী উপজেলার চাঁদপুর গ্রামে স্কুল পড়ুয়া শিশু তার পিতার জন্য মাঠে খাবার নিয়ে যাচ্ছিল।
এসময় আসামি শাকিল হোসেন পথরোধ করে ধারালো হাসুয়া দিয়ে খুন করার ভয় দেখিয়ে শিশুটিকে একটি পাটক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে।
এ সময় শিশুটির আর্তনাদে আসামি একপর্যায়ে শিশুটিকে ছেড়ে দেয়। এই ঘটনায় গাংনী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় মামলা হয়।