অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরের অভয়নগরে ভৈরব নদে জোয়ারের পানিতে ভেসে আসা মৃতদেহের পরিচয় মিলেছে। নিহত যুবকের নাম নিসর্গ সাহা বিশ্বাস (২৩)।
গত ২০ জুলাই সোমবার সকাল ৯টার দিকে তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন।
পাঁচ দিনের মাথায় শুক্রবার দুপুরে উপজেলার শ্রীধরপুর ইউনিয়নের দেয়াপাড়া গ্রামের পূর্বাঞ্চল খেয়াঘাট এলাকা থেকে নিসর্গের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে নৌপুলিশ।
এরপর খবর পেয়ে পরিবারের সদ্স্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে যেয়ে এটি নিসর্গের মরদেহ হিসেবে শনাক্ত করেন।
বিষয়টি সুবর্ণভূমিকে নিশ্চিত করেছেন নিসর্গের মাসি (খালা) শান্তনা। তিনি রাত সাড়ে ১০টার দিকে জানান, মরদেহ যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে রয়েছে।
কলেজছাত্র নিগর্স মহাকাল ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের মহাকাল গ্রামের কৃষ্ণা রানী সাহার ছেলে। কৃষ্ণা রানী সাহা মানবাধিকার সংস্থা রাইটস যশোরে কর্মরত।
তার পিতা যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার শিমুলিয়া ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামের পশাল বিশ্বাস।
তবে, কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে তা বলতে পারছেন না পরিবারের সদস্যরা।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার দুপুর ১২ টার দিকে ভৈরব নদে জোয়ারের পানিতে কচুরিপানার মধ্যে নিসর্গের অর্ধগলিত মরদেহ পূর্বাঞ্চল খেয়াঘাট এলাকায় ভেসে আসে। খবর পেয়ে নওয়াপাড়া নৌপুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে নওয়াপাড়া নৌপুলিশের ইনচার্জ এসআই রনজিৎ সেন বলেন, ‘দুপুরে ভৈরব নদের পূর্বাঞ্চল খেয়াঘাট এলাকা থেকে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘদিন পানিতে থাকায় চেহারা বিকৃত হয়ে গেছে’।
নিসর্গের নিখোঁজের ব্যাপারে তার মা কৃষ্ণা রানী সাহা ২০ জুলাই অভয়নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন।
এদিকে, নিসর্গের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মানবাধিকার সংস্থা রাইটস যশোরের নির্বাহী পরিচালক বিনয় কৃষ্ণ মল্লিক। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতিও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।