কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে ক্ষমা চাইলেন বিএনপি ও আওয়ামী লীগের দুই নেতা।
সম্প্রতি উপজেলা প্রশাসনকে জড়িয়ে প্রেসক্লাব কেশবপুরের সভাপতি ওয়াজেদ খান ডবলুর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মিত্যা অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেন দুই ভাই বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেতা যথাক্রমে আবুল কাশেম মোড়ল ও তাসের মোড়ল।
গত ৬ জুলাই প্রেসক্লাব কেশবপুরের সভাপতি ওয়াজেদ খান ডবলুর বিরুদ্ধে কেশবপুর পৌরসভার সাত নম্বর ওয়ার্ড মধ্যকুল গ্রামের বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম মোড়ল ও তার ভাই আওয়ামী লীগ নেতা তাসের মোড়ল উপজেলা প্রশাসনকে জড়িয়ে চাঁদার বিষয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন।
বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুনের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি কাশেম মোড়ল ও তাসের মোড়লকে তার কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের সত্যতা প্রমাণের নির্দেশ দেন। প্রমাণ করতে না পারলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান। সময় নিয়েও ওই বিষয়ে কোনো প্রমাণ দিতে না পারায় বিএনপি ও আওয়ামী লীগ নেতারা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে যেয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
আগামীতে এই জাতীয় কোনো মিথ্যা তথ্য দিয়ে কারো সম্মানহানি করবেন না শর্তে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাদের ক্ষমা করে দেন।
বুধবার স্থানীয় সাংবাদিকরা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তরে গেলে তিনি ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি প্রেসক্লাব কেশবপুরের সভাপতি ওয়াজেদ খান ডবলু, নিউজ ক্লাবের সভাপতি আশরাফুজ্জামান ও প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইনামুল হাসানসহ সাংবাদিকদের অবহিত করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুন বলেন, প্রশাসনকে জড়িয়ে সাংবাদিককের নামে জনৈক কাশেম মোড়ল ও তাসের মোড়ল যে সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন, তার সত্যতা প্রমাণে ব্যর্থ হয়ে তারা ক্ষমা প্রর্থনা করেছেন।